রবিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১২:৫৬ পূর্বাহ্ন

মুক্তি কক্সবাজারের  উদ্যোগে বঙ্গবন্ধুর  শাহাদত বার্ষিকী পালন

মোঃআমান উল্লাহ, কক্সবাজার
  • Update Time : বুধবার, ১৭ আগস্ট, ২০২২

মুক্তি কক্সবাজারের উদ্যোগে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় শোক দিবস ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭তম শাহাদত বার্ষিকী পালিত হয়েছে।

১৫ আগস্ট সকাল ৮টায় জেলা প্রশাসন কর্তৃক অরুনোদয় স্কুল প্রাঙ্গনে স্থাপিত জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

পুষ্পস্তবক অর্পণ ও শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে স্বাস্থ্যবিধি মেনে মুক্তি কক্সবাজার প্রধান কার্যালয় সম্মেলন কক্ষে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল এবং আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। মুক্তি কক্সবাজারের প্রধান নির্বাহী বিমল চন্দ্র দে সরকার এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মুক্তি কক্সবাজারের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও উপদেষ্টা অধ্যাপক সোমেশ্বর চক্রবর্তী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মুক্তি কক্সবাজারের উপদেষ্টা বিশিষ্ট আইনজীবী এড. শিবুলাল দেব দাস এবং কার্যকরি পরিষদের সাধারন সম্পাদক বাবলা পাল।প্রধান অতিথি বলেন, হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম না হলে বাংলাদেশ স্বাধীন হতো না। আমরা এমন এক অভিশপ্ত জাতি, যারা জাতির জনককে হত্যা করেছি। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর তৎকালীন শাসকগোষ্ঠী বাংলাদেশের পতাকা এবং জাতীয় সংগীত পরিবর্তনের চেষ্টা চালিয়েছিল। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ এবং মুক্তিযুদ্ধের শিক্ষা কাজে লাগাতে পারলে বাংলাদেশ দ্রুত উন্নত দেশে পরিনত হবে।

বিশেষ অতিথি বলেন, কিছু বিপথগামী সেনা সদস্য এবং একাত্তরের পরাজিত দোসরদের দেশী-বিদেশী ষড়যন্ত্রে এমন একজন মহান নেতাকে, স্বাধীনতার মহানায়ক জাতির পিতাকে, তাঁর পরিবারের আরো অনেক সদস্যকে নির্মম ভাবে হত্যা করেছে। যা কখনো কারো কাম্য ছিল না। ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে সমাজে শান্তি স্থাপনের জন্য নিষ্ঠুরতা পরিহার করতে হবে। দেশপ্রেমে উদ্বোদ্ধ হয়ে নিজ নিজ কর্মক্ষেত্রে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে বলেন, জাতির পিতাকে হত্যার পর তাঁর নাম এবং জয় বাংলা স্লোগান মুখে পর্যন্ত আনা যায়নি। বঙ্গবন্ধু হত্যার পর দেশ আবার পাকিস্তানি ভাব ধারায় পরিচালিত হয়েছিল। সেই নির্মম হত্যার বিচার যাতে না হয় তার জন্য সংবিধান সংশোধন করে অর্ডিনেন্স করা হয়েছিল। কিন্তু অনেক বছর পরে হলেও বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা হত্যাকারীদের বিচারের আওতায় এনেছিল।শোষিত, নির্যাতিত মানুষের পক্ষে কাজ করার জন্য সবাইকে আহ্বান জানান তিনি।জেন্ডার ফোকাল পার্সন তাহমিনা আক্তারের সঞ্চালনায় জাতীয় শোক দিবসের উক্ত আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য রাখেন, মুক্তি কক্সবাজার এর ফান্ড রেইজিং ম্যানেজার মিয়া মাইকেল জাহাঙ্গীর, সাপ্লিমেন্টাল এডুকেশন প্রোগ্রাম হিসাব কর্মকর্তা অলক কান্তি শর্মা, জিবিভিআইই প্রকল্পের কেইজ ম্যানেজার বেবি ভট্টার্চায্য। দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন কো-অর্ডিনেটর (প্রোগ্রাম) কামরুল হোসেন। এছাড়াও প্রধান কার্যালয় এবং বিভিন্ন প্রকল্পের সমন্বয়কারী, কর্মকর্তা ও শিক্ষক-শিক্ষিকাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনা সভার শুরুতেই ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ঘাতকের বুলেটে নির্মমভাবে নিহত বঙ্গবন্ধু’সহ তাঁর পরিবারের সকল সদ্যসের মাগফিরাত কামনায় এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।

Surfe.be - Banner advertising service

https://www.facebook.com/gnewsbd24

More News Of This Category
<script async src="https://pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js?client=ca-pub-3423136311593782"
     crossorigin="anonymous"></script>
© All rights reserved © 2011 Live Media
কারিগরি সহযোগিতায়: মোঃ শাহরিয়ার হোসাইন
freelancerzone