কালিয়াকৈরে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন কারখানার প্রায় ৩ শতাধিক শ্রমিক

সাগর আহম্মেদ, কালিয়াকৈর প্রতিনিধি(গাজীপুর)ঃ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১১:৪৪ অপরাহ্ণ
কালিয়াকৈরে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন কারখানার প্রায় ৩ শতাধিক শ্রমিক

াজীপুরের কালিয়াকৈরে দুইদিনে একটি কারখানার প্রায় তিন শতাধিক শ্রমিক অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তারা ঢাকা মহাখালি কলেরা হাসপাতালসহ স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। গত সোমবার থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত উপজেলার পূর্ব চান্দরা কাঠালতলী এলাকার কারখানায় এ ঘটনা ঘটে।

এলাকাবাসী ও কারখানার শ্রমিক সূত্রে জানা গেছে, কালিয়াকৈর উপজেলার পূর্ব চান্দরা কাঠালতলা এলাকায় ময়েজ উদ্দিন টেক্সটাইল নামক একটি পোশাক তৈরি কারখানা রয়েছে। প্রতিদিনের মতো গত সোমবার সকালে ওই কারখানায় কাজে যোগদান করেন শ্রমিকরা। কিন্তু ওইদিন সন্ধ্যার পরেই ওই কারখানার কয়েকজন শ্রমিক হটাৎ ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হন এবং গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। অসুস্থ শ্রমিকদের উদ্ধার করে স্থানীয় সফিপুর তানহা হেল্ধসঢ়;থ কেয়ার নামে একটি হাসপাতালে ভর্তি করে তাদের সহকর্মীরা। তবুও কারখানা ছুটি দেয়নি কারখানা কর্তৃপক্ষ।

প্রতিদিনের মতো পরের দিন মঙ্গলবার সকালে কাজে যোগ দেন ওই কারখানার শ্রমিকরা। ওইদিনও আরো বেশ কিছু শ্রমিকরা অসুস্থ্য হয়ে পড়েন। অসুস্থ শ্রমিকদের উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠিয়েছেন কারখানা কর্তৃপক্ষ। গত দুইদিনে ওই কারখানার প্রায় তিন শতাধিক শ্রমিক অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। এদের মধ্যে অনেকেই ঢাকা মহাখালি কলেরা হাসপাতাল, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। এতে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লে ওই কারখানা ছুটি ঘোষণা করেছেন কর্তৃপক্ষ। তবে তাৎক্ষণিকভাবে অসুস্থ্য হওয়ার কারণ জানাতে পারেনি কারখানা কর্তৃপক্ষ।

অসুস্থ্য হয়ে পড়া নাসিম ইকবাল ও শিমু আক্তারসহ আরো অনেক শ্রমিক জানান, গত সোমবার সন্ধ্যা থেকে অনেক শ্রমিক হটাৎ করে ডায়রিয়া ও মাথা ব্যাথা শুরু হয়। এরপর মঙ্গলবার সকালেও কারখানায় যাওয়ার পর আমরাও অসুস্থ্য হয়ে পড়ি। অসুস্থ অনেকেই ঢাকা মহাখালীসহ বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।

প্রাথমিক ভাবে আমরা ধারণা করছি, ওই কারখানার ট্রাংকির পানি পান করে অসুস্থ হয়ে পড়ছি। অতিদ্রুত ওই সমস্যার সমাধান চান আতঙ্কিত শ্রমিকরা। ওই কারখানার ডেপুটি ম্যানেজার মমিনুল ইসলাম জানান, আমাদের শ্রমিকরা হটাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে। তাদেরকে উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তারা এখন সুস্থ্য আছেন। তবে এ ঘটনায় শ্রমিকরা আতঙ্কিত হয়ে পড়লে ইতিমধ্যেই কারখানা বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এইচ এম ফখরুল ইসলাম জানান, এখানে আমি নতুন যোগদান করেছি। এজন্য বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে বিষয়টি খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।