দীপ্ত টিভিতে বিশেষ প্রামাণ্য কাহিনীচিত্র ‘স্বাধীনতার শেষ যুদ্ধ‘

বিনোদন ডেস্ক ঃ
প্রকাশিত: সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১০:৫৬ পূর্বাহ্ণ
দীপ্ত টিভিতে বিশেষ প্রামাণ্য কাহিনীচিত্র ‘স্বাধীনতার শেষ যুদ্ধ‘

৬ ডিসেম্বর রাত ১১টা ৩৫ মিনিটে প্রচারিত হবে বিশেষ প্রামাণ্য কাহিনীচিত্র ‘স্বাধীনতার শেষ যুদ্ধ‘। প্রমাণ্য কাহিনীচিত্রটির গবেষণা ও চিত্রনাট্য করেছেন মারুফ হাসান ও চিত্রনাট্য সম্পাদনা করেছেন নাসিমুল হাসান। কাজী মিডিয়া লিমিটেডের প্রযোজনায় প্রযোজক ব্রাত্য আমিনের তত্ত্বাবধানে ছবিটি পরিচালনা করেছেন ফিরোজ কবির ডলার।

কাহিনীচিত্র সংক্ষেপ:
১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানী বাহিনীর আতœসমর্পণের মধ্য দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক বিজয় অর্জিত হলেও কার্যত দেশ শত্রুমুক্ত হয় আরো দেড়মাস পর। ১৯৭২ সালের ৩০ জানুয়ারি স্বাধীন দেশে পাকিস্তানী ও বিহারিদের দ্বারা অবরুদ্ধ ঢাকার মিরপুর মুক্তকরণই ছিলো মূলত স্বাধীনতার শেষ যুদ্ধ।

এই প্রামাণ্য-কাহিনীচিত্রে আমরা দেখতে পাই যে, দৈনিক পত্রিকা বা গবেষণাধর্মী প্রবন্ধে মিরপুর যুদ্ধের কিছু বিষয় উঠে আসলেও আজও জনসমক্ষে তেমনভাবে দৃশ্যমান না হওয়া এই ঘটনাটি পর্দায় তুলে আনতে কাজ শুরু করে একটি অডিও-ভিস্যুয়াল নির্মাণ প্রতিষ্ঠানের তরুন নির্মাতা পাভেল। সে তার গবেষণাকালীন স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশ নেয়ার পাশাপাশি মিরপুর যুদ্ধেও অংশ নেয়া এক মুক্তিযোদ্ধা সৈনিকের সন্ধান পায়, যার নাম মো: রওশন আলী মন্ডল।

রওশন আলীর মাধ্যমে পাভেল তার কাজের প্রথম অংশে কিছু তথ্য প্রমাণাদি সংগ্রহ করতে সমর্থ হলেও ততটা সফল হয় না। এমন সময় প্রতিষ্ঠানের সিনিয়র কর্মকর্তা আজাদের সহযোগিতায় একটি গবেষণাধর্মী বইয়ের সুবাদে সে খোঁজ পায় লেখক ও সাংবাদিক জুলফিকার আলী মানিক সাহেবের। ১৯৯৯ সালে করা তাঁর এক অনুসন্ধানী ধারাবাহিক রিপোর্টের সম্মিলিত ফসল সেই বইয়ের রেশ ধরে পাভেল দেখা করে জুলফিকার আলী মানিকের সাথে।

এবং এই সাক্ষাতের মাধ্যমেই সে মিরপুর যুদ্ধের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত আরো কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যাক্তির সন্ধান পায়। এদের মধ্যে অন্যতম হলেন মিরপুর যুদ্ধে নেতৃত্ব দেয়া মেজর জেনারেল (অবঃ) হেলাল মোর্শেদ ও রওশনের মতো আরো দুজন সৈনিক মোখলেছুর রহমান ও মো: আমীর হোসেন। তাঁদের সকলের চাক্ষুষ জবানবন্দিতে পাভেলের কাছে পরিষ্কার হতে থাকে মিরপুর যুদ্ধের সেই মর্মান্তিক ঘটনার আদ্যোপান্ত।

এই প্রামাণ্য-কাহিনীচিত্রের এক পর্যায়ে আমরা দেখবো যে পুরো ঘটনার পটভূমি, বর্ণনা আর ফলাফল তুলে এনে পাভেল একটি রিপোর্ট পেশ করে আজাদ সাহেবকে। এবং পাভেলের এই রিপোর্টটি আজাদ সাহেবকে বুঝিয়ে দেয়ার মধ্য দিয়েই দর্শক বুঝতে পারবে স্বাধীনতার শেষ যুদ্ধের ট্র্যাজেডি।