শীতে কাহিল সৈয়দপুরের জনপদ হেডলাইট জ্বালিয়ে চলছে যানবাহন

সৈয়দপুর প্রতিনিধি (নিলফামারী)ঃ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৬ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১২:৩১ অপরাহ্ণ
শীতে কাহিল সৈয়দপুরের জনপদ হেডলাইট জ্বালিয়ে চলছে যানবাহন

ত ৩/৪ দিনের কুয়াশা আর হিমেল হাওয়ায় স্থবির হয়ে পড়েছে সৈয়দপুরের জনজীবন। হাঁড়কাপানো শীত জেঁকে বসেছে সর্বত্র। ঘন কুয়াশার সঙ্গে বৃদ্ধি পেয়েছে কনকনে শীত। এরফলে সব ধরনের যানবাহন হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করছে ধীরগতিতে। কাথা কম্বল গায়ে মুড়িয়ে জীবিকার তাগিদে বের হচ্ছেন শ্রমজীবী মানুষ।

স্থানীয়রা জানান,বুধবার সারাদিন সুর্যের দেখা মিলেনি। বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার সুর্যের দেখা মিললেও তাপ ছিল না তেমন একটা। শুক্রবার সকাল ৮ টা পর্যন্ত ছিল ঘন কুয়াশা। এরফলে মহাসড়কে সকল যানবাহন চলাচল করেছে হেডলাইট জ্বালিয়ে। ঘন কুয়াশা আর কনকনে ঠান্ডায় ছিন্নমূল মানুষজন পড়েছে চরম দুর্ভোগে। বিশেষ করে কৃষকরা মাঠে কাজ করতে গিয়ে পড়েছেন চরম বিপাকে।

সৈয়দপুর বিমানবন্দর আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা লোকমান হোসেন জানান, শুক্রবার সকাল ৮ টায় সৈয়দপুর উপজেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সকাল ৯ টার পর তাপমাত্রা বাড়তে পারে। বৃহস্পতিবারের তুলনায় কুয়াশা কম, কিন্তু বাতাস বেশি।

সৈয়দপুর বিমানবন্দর সংলগ্ন নিচু কলোনির বাসিন্দা আজগার আলী বলেন, কুয়াশা আর শীতের কারনে বাড়ি থেকে বের হওয়া মুশকিল হয়ে গেছে। বৃষ্টির মতো পড়ছে কুয়াশা। এর ফলে কাপড় ভিজে যাচ্ছে। কিন্তু কি আর করা, কাজ না করলে পরিবার নিয়ে না খেয়ে থাকতে হবে বলেই কাজে বেড়িয়েছি।

সকাল সারে ৭ টায় সৈয়দপুর-রংপুর মহাসড়কে ট্রাক চালক কুরবান আলী বলেন, ‘বৃহস্পতিবার রাত থেকে শুক্রবার সকাল পর্যন্ত ঘনকুয়াশা। এর ফলে হেডলাইট জ্বালিয়ে ট্রাক চলাচল করতে হচ্ছে। সামান্য অসাবধানতা হলেই বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

সৈয়দপুর ১০০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের ডাক্তার ওয়াসিম বারি জয় বলেন, বয়স্ক ও শিশুদের সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। তা না হলে হঠাৎ বুকে ঠান্ডা লেগে বড় ধরনের বিপদ হতে পারে।