রাষ্ট্রীয় শোকের ছায়ায় নন্দীগ্রামে বই বিতরণ, প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের উল্লাস, মাধ্যমিকে হতাশা

নন্দীগ্রাম প্রতিনিধি ( বগুড়া )ঃ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারি, ২০২৬, ১১:০৪ অপরাহ্ণ
রাষ্ট্রীয় শোকের ছায়ায় নন্দীগ্রামে বই বিতরণ, প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের উল্লাস, মাধ্যমিকে হতাশা

িন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক পালন করায় বগুড়ার নন্দীগ্রামে উৎসবমুখর আয়োজন ছাড়াই বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) উপজেলা বিভিন্ন বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে নতুন পাঠ্যবই বিতরণ করা হয়েছে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুবরণে ঘোষিত রাষ্ট্রীয় শোকের প্রতি সম্মান জানিয়ে সকল আনুষ্ঠানিকতা সীমিত রাখা হয়।

উপজেলার বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষাবর্ষের শুরুতেই সকল শ্রেণির শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন পাঠ্যবই তুলে দেওয়া হয়। নতুন বই পেয়ে প্রাথমিকের শিক্ষার্থীরা আনন্দ প্রকাশ করে। তবে মাধ্যমিক পর্যায়ে ভিন্ন চিত্র দেখা গেছে। মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ ও অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা বই না পেয়ে খালি হাতেই বাড়ি ফিরে গেছে, যা শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে হতাশার সৃষ্টি করেছে।

নন্দীগ্রাম মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আলী আজম বলেন, শিক্ষাবর্ষের শুরুতেই শিক্ষার্থীদের হাতে বই তুলে দিতে পারায় আমরা সন্তুষ্ট। রাষ্ট্রীয় শোক থাকায় কোনো উৎসব আয়োজন করা হয়নি, তবে নির্দেশনা অনুযায়ী সময়মতো বই বিতরণ সম্পন্ন করা হয়েছে। ভাটরা খান চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শহিদুল ইসলাম বলেন, শিক্ষার্থীরা বইয়ের জন্য অপেক্ষা করছে। বই না পেয়ে তারা হতাশ হলেও আমরা তাদের বোঝানোর চেষ্টা করছি। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। বই হাতে পেলেই তাৎক্ষণিকভাবে শিক্ষার্থীদের মাঝে বিতরণ করা হবে।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এসএম সারওয়ার জাহান বলেন, সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রাথমিকের সকল শিক্ষার্থীর মাঝে বই বিতরণ নিশ্চিত করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, শোককালীন সময়ে সব ধরনের আনুষ্ঠানিকতা পরিহার করে শান্ত পরিবেশে বই বিতরণ করা হয়।

অন্যদিকে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম বলেন, মাধ্যমিকের ষষ্ঠ ও অষ্টম শ্রেণির বই এখনো উপজেলায় পৌঁছায়নি। বই আসা মাত্রই দ্রুত শিক্ষার্থীদের মাঝে বিতরণ করা হবে। এদিকে অভিভাবকরা জানান, প্রাথমিকের শিক্ষার্থীরা সময়মতো বই পেলেও মাধ্যমিকের শিক্ষার্থীরা বই না পাওয়ায় পড়াশোনায় কিছুটা সমস্যায় পড়তে পারে। দ্রুত বই সরবরাহের দাবি জানিয়েছেন তারা।