নীলফামারী - ৪ আসন

জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী জাতীয় পার্টির প্রার্থী

সৈয়দপুর প্রতিনিধি (নিলফামারী)ঃ
প্রকাশিত: রবিবার, ৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ৫:২৯ অপরাহ্ণ
জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী জাতীয় পার্টির প্রার্থী

ীলফামারী-৪ আসনে জাতীয় পার্টির মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী আলহাজ্ব সিদ্দিকুল আলম সিদ্দিক বলেছেন, আমি জনগণের প্রার্থী। এই আসনে অন্যান্য প্রার্থীর তুলনায় আমার নিজস্ব ভোট ব্যাংক রয়েছে। কারন আওয়ামী সরকার শাসনামলে আমি স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে এমপি নির্বাচিত হয়েছি। মাত্র কয়েক মাসে সৈয়দপুর -কিশোরগঞ্জের ৫০টি রাস্তা ঢালাইয়ের মাধ্যমে উন্নয়ন করি, টিআর প্রকল্পের আওতায় ৮২টি মসজিদ ও মাদ্রাসার সংস্কার ও মেরামত করা হয়।

সৈয়দপুরে ৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য ৬০ লাখ টাকা বাজেট এনে সংশ্লিষ্টদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। সৈয়দপুর শহরের তামান্না সিনেমা হল থেকে ওয়াবদা মোড় পর্যন্ত সড়কটি সংস্কারের জন্য বরাদ্দ চুড়ান্ত করা হয়, যা দিয়ে বর্তমানে ড্রেন নির্মাণ অব্যাহত রয়েছে। এছাড়া গরীব অসহায় শিক্ষার্থীদের পড়াশুনার খরচ, বিয়ে দেয়া সহ সবসময় অসহায় মানুষের পাশে ছিলাম ও আছি।

আর একারনেই জয়ের ব্যাপারে আমি শতভাগ আশাবাদী। দীর্ঘদিন ধরে সৈয়দপুর-কিশোরগন্জ এলাকায় কাজ করে যাচ্ছি। আশাকরি সবদিক বিবেচনা করেই জনগণ আমাকে নির্বাচিত করবেন।

কিশোরগন্জ উপজেলার ২ নং পুটিমারী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আবু সায়েম জানান, আমি দীর্ঘদিন ধরে পুটিমারী ইউনিয়নে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করে আসছি। চেয়ারম্যান থাকাকালীন সময়ে নীলফামারী-৪ আসনে অনেকেই এমপি নির্বাচিত হয়েছেন কিন্তু সিদ্দিকুল আলম সিদ্দিকের তুলনা হয় না। ২০২৪ সালে তিনি মাত্র ৬-৭ মাস এমপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

এই কয়েক মাসেই সিদ্দিকুল আলম সৈয়দপুর -কিশোরগঞ্জের যা উন্নয়ন করেছেন,তা দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ সদস্য পদে যদি তিনি পুনরায় নির্বাচিত হন ,তাহলে সারা নীলফামারী- ৪ আসনে উন্নয়নের বন্যা বয়ে যাবে। তিনি সকলকে জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী আলহাজ্ব সিদ্দিকুল আলম সিদ্দিককে দলমত নির্বিশেষে এক প্লাটফর্মে দাড়িয়ে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করার অনুরোধ জানান তিনি।

সৈয়দপুরের ভোটাররা জানান, জাতীয় পার্টির প্রার্থী আলহাজ্ব সিদ্দিকুল আলম একজন শিল্প পতি। তার নিজ অর্থে গড়া একাধিক শিল্প কলকারখানা রয়েছে। কর্মসংস্থান করেছেন প্রায় ৪ হাজার বেকার যুবক যুবতীর। সরকারের দেয়া বরাদ্দের প্রতি তাঁর কোন লোভ লালসা নেই। গত সংসদ সদস্য নির্বাচনে এমপি নির্বাচিত হয়ে মাত্র ৬-৭ মাসে যা যা উন্নয়ন করেছেন, তা মনে রাখার মতো। আগামী তিনি যদি এমপি নির্বাচিত হন, তাহলে সৈয়দপুর -কিশোরগঞ্জের চিত্রই পাল্টে যাবে বলে মতামত ব্যাক্ত করেন ভোটাররা।

সাবেক সাংসদ সিদ্দিকুল আলম সিদ্দিক বলেন, গত সংসদ সদস্য নির্বাচনে আমি স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে এমপি পদে নির্বাচন করেছি। নীলফামারী-৪ আসনের উন্নয়নের স্বার্থে তৎকালীন সরকার প্রধানের দ্বারস্থ হয়েছিলাম বলে আমার নামে একাধিক মিথ্যা মামলা দেয়া হয়েছিল। আমি নিস্পাপ ছিলাম বলে সব মামলায় আমি জামিন প্রাপ্ত। কয়েকটি মামলা খারিজ ও হয়ে গেছে। তিনি বলেন, আমি সৈয়দপুরের সন্তান। জনগণ যদি আগামী সংসদ সদস্য নির্বাচনে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করেন, তাহলে, নীলফামারী-৪ আসন দেশের একটি মডেল হিসেবে তৈরী করবেন বলে জানান তিনি।