ভেনেজুয়েলার সঙ্গে যুদ্ধে জড়ায়নি যুক্তরাষ্ট্র : মার্কো রুবিও

জিনিউজবিডি২৪ ডেস্ক ঃ
প্রকাশিত: সোমবার, ৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ৯:৫৫ পূর্বাহ্ণ
ভেনেজুয়েলার সঙ্গে যুদ্ধে জড়ায়নি যুক্তরাষ্ট্র : মার্কো রুবিও

েনেজুয়েলায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হামলার একদিন পর মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলার সঙ্গে যুদ্ধে জড়ায়নি।

স্থানীয় সময় রোববার (৫ জানুয়ারি) এনবিসির জনপ্রিয় অনুষ্ঠান মিট দ্য প্রেসে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলার সঙ্গে যুদ্ধে জড়ায়নি। তবে ভেনেজুয়েলায় সরাসরি সেনা না পাঠিয়েই নীতিগতভাবে ‘নিয়ন্ত্রণমূলক ভূমিকা’ পালন করছে যুক্তরাষ্ট্র। খবর বিবিসির।

রুবিও বলেন, আমরা চাই ভেনেজুয়েলা একটি নির্দিষ্ট পথে এগিয়ে যাক। কারণ এটি শুধু ভেনেজুয়েলার জনগণের জন্য ভালো নয়, আমাদের জাতীয় স্বার্থের সঙ্গেও জড়িত।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, ভেনেজুয়েলার উপকূলের কাছে মার্কিন নৌবাহিনীর জাহাজ মোতায়েন করে অবরোধের মাধ্যমেই যুক্তরাষ্ট্র প্রভাব বজায় রাখবে।

রুবিও আরও বলেন, আমাদের সেনাবাহিনী কোস্ট গার্ডকে একটি আইন য়োপ্রগকারী দায়িত্ব পালনে সহায়তা করছে। এটি শুধু মাদুরোকে আটক করার বিষয় নয়, বরং আমাদের আরোপিত নিষেধাজ্ঞাগুলো কার্যকর করাও এর অংশ। আমরা এটিকে বিরাট চাপ হিসেবে দেখছি, যা আমরা প্রয়োজনীয় পরিবর্তন না দেখা পর্যন্ত প্রয়োগ করে যাব।

একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, মার্কিন বাহিনীর হাতে আটক ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে সোমবার (৫ জানুয়ারি) নিউইয়র্কের একটি আদালতে হাজির করা হবে।

ভেনেজুয়েলার প্রতিরক্ষামন্ত্রী ভ্লাদিমির পাদ্রিনো দাবি করেছেন, মার্কিন অভিযানে মাদুরোর নিরাপত্তা দলের বড় একটি অংশ এবং বেশ কয়েকজন ‘নিরপরাধ বেসামরিক নাগরিক’ নিহত হয়েছেন।

এদিকে ভেনেজুয়েলা সরকার এই ঘটনাকে ‘সামরিক আগ্রাসন’ হিসেবে নিন্দা জানিয়েছে। দেশটির সেনাবাহিনী বলেছে, তারা অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগেজকে সমর্থন দিচ্ছে।

বিবিসির দক্ষিণ আমেরিকা বিষয়ক সংবাদদাতা লিখেছেন, বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ কারণ এতে নিশ্চিত হলো—ডোনাল্ড ট্রাম্প ভেনেজুয়েলা পরিচালনা করবে বলে দাবি করলেও বাস্তবে এখনো মাদুরোর মিত্ররাই ক্ষমতায় রয়েছে।

অন্যদিকে ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্য আটলান্টিককে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, দেলসি রদ্রিগেজ ‘যদি সঠিক কাজ না করেন’, তবে তাকে ‘বড় মূল্য দিতে হবে’।

এমন পরিস্থিতিতে ভেনেজুয়েলার সাধারণ মানুষ অনিশ্চয়তা এবং শান্তিপূর্ণ ক্ষমতা হস্তান্তরের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।