জাপা প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করতে ইসিতে বিএনপি প্রার্থীর আপিল

সৈয়দপুর প্রতিনিধি (নিলফামারী)ঃ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারি, ২০২৬, ৫:৪৪ অপরাহ্ণ
জাপা প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করতে ইসিতে বিএনপি প্রার্থীর আপিল

সন্ন জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচনে নীলফামারী-৪ আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী আলহাজ সিদ্দিকুল আলমের মনোনয়ন বাতিল করতে নির্বাচন কমিশনে আপিল করেছেন বিএনপির প্রার্থী আলহাজ অধ্যক্ষ আব্দুল গফুর সরকার।

সোমবার (১২ জানুয়ারী) ইসির ওয়েবসাইটে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারী করা হয়েছে। যা জেলা রিটার্নিং অফিসারসহ সংশ্লিস্ট সকল দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব আরিফুর রহমান স্বাক্ষরিত ওই নির্দেশনায় জানা যায়, আগামী ১৭ জানুয়ারী আপিলের শুনানী অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রতিপক্ষ প্রার্থীদের উপস্থিত থাকার কথা বলা হয়েছে।

এ বিষয়ে সৈয়দপুর রাজনৈতিক জেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ অধ্যক্ষ আব্দুল গফুর সরকার বলেন, জাতীয় পার্টির প্রার্থী তার হলফ নামায় ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর ঢাকার ৪ থানায় হওয়া মামলার তথ্য গোপন রেখেছেন। একারনে ওইদিন জেলা রিটানির্ং অফিসারের কাছে মনোনয়ন যাচাইয়ের অভিযোগ করেছিলাম। কিন্তু কর্তৃপক্ষ কোন কর্নপাত করেননি।

যার ফলে বাধ্য হয়েই নির্বাচন কমিশনে আপিল করেছি। তাছাড়া সিদ্দিকুল আলম বিগত ২০২৪ সালের বিতর্কিত নির্বাচনে ফ্যাসিস্ট সরকারের অধীনে এমপি নির্বাচিত হয়েছিল। তাই তার মনোনয়ন বাতিল হওয়া উচিত বলে মনে করছি।

এবিষয়ে সিদ্দিকুল আলম বলেন, বিএনপি প্রার্থী আমার বিজয় নিশ্চিত বুঝতে পেরে আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে ষড়যন্ত্র করছেন। আমি হলফনামায় সকল বিষয় উল্লেখ করেছি। শুধু আমার অজান্তে হওয়া একটি মামলার কোন তথ্য পুলিশ রেকর্ডে ছিল না বলে তা সংযোজন করতে পারিনি।

তবে পরবর্তীতে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য ও মামলার বাদির মাধ্যমে আদালতেই করা এভিডেভিট জেলা রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে জমা দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ২০২৪ সালে তৎকালীন সরকারের আমলে আমি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করে এমপি হয়েছিলাম।

আমি কোন চাঁদাবাজ বা সন্ত্রাসী নই। আমি একজন শিল্প পতি। আমার আসনের উন্নয়নের স্বার্থে তৎকালীন সরকারের দারস্থ হয়েছিলাম। মাত্র ৬ মাসের ব্যবধানের নীলফামারী-৪ আসনের রাস্তা, মসজিদ ও মাদ্রাসার ব্যাপক উন্নয়ন করেছি।

আমার ইচ্ছে ছিল নীলফামারী-৪ আসনকে দেশের একটি মডেল হিসেবে গড়ে তুলবো কিন্তু ৬ মাসে তা সম্ভব হয়ে উঠেনি। জনগণ ভোট দিয়ে আগামীতে সাংসদ নির্বাচিত করলে আমার ও জনগনের স্বপ্ন যাতে বাস্তবায়ন করতে না পারি এজন্যই আমাকে হয়রানির চেষ্টা করা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।