সিলেট তথা বাংলাদেশের গর্ব মরহুম হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর সংক্ষিপ্ত আত্নজীবনী

শহীদ আহমদ খান, সিলেট প্রিতিনিধ ঃ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারি, ২০২৬, ১:০৭ অপরাহ্ণ
সিলেট তথা বাংলাদেশের গর্ব মরহুম হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর সংক্ষিপ্ত আত্নজীবনী

ন্ম ও পারিবারিক পটভূমি : হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী জন্ম গ্রথন করেন ১৯২৮ সালের ১১নভেম্বর সিলেট শহরের দরগাগেইট এলাকার রশীদ মনজিলে। পৈতৃক নিবাস সুনামগঞ্জ জেলার দরগাপাশা গ্রামে। পিতা মরহুম আব্দুর রশীদ চৌধুরী ছিলেন কেন্দ্রীয় আইন সভার সদস্য ও যুগভেরী পত্রিকার প্রতিষ্টাতা। মাতা মরহুমা মেহেরুননেসা চৌধুরী ছিলেন পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য।

শিক্ষা জীবন ও বিদেশে অধ্যায়ন: সিনিয়র ক্যামব্রীজ পাশ করে আলীগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্মাতক এরপর ব্রিটেনের ইনার টেম্পুল থেকে ব্যারিস্টার এবং ষ্টাপস বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আন্তজার্তিক কুটনৈতিক অধ্যায়ন।

কুটনৈতিক জীবন: ১৯৫৩ সালে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রালয়ে যোগ দেন। ১৯৭১ সালে দিল্লীতে মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদে মিশনের প্রধান ছিলেন। স্বাধীনতার স্বকৃতির জন্য ৪০টির বেশি দেশে কুটনিতিক তৎপরতা চালান। ১৯৭২ সালে প্রথম পোষ্টিং জার্মানীর রাষ্ট্রদূত হন। ইউনিট ও আই ই এ তে ছিলেন বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ।

রাজনৈতিক জীবন: জাতীয় পাটিতে যোগ দিয়ে ১৯৮৫ সালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হন। ১৯৮৬ সালে তিনি জাতিসংঘের ৪১তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন যা বাংলাদেশের ইতিহাসে এক গৌরব উজ্জ্বল অধ্যায় । পরে আওয়ামীলীগে যোগ দিয়ে ১৯৯৬ সালে সিলেট ১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে মৃত্যুর আগ মহান জাতীয় সংসদের স্পীকার ছিলেন।

সম্মাননা ও মৃত্যু : মহাত্মা গান্ধী শান্তি পুরুস্কার ও উ-থান্ট পদক। ২০১৮ সালে মরণত্তর স্বাধীনতা পুরুস্কার। ২০০১ সালের ১০ই জুলাই ঢাকায় মৃত্যু বরণ করেন। মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৭২ বছর। সমাহিত করা হয় সিলেটের হযরত শাহজালাল র: মাজার সংলগ্ম কবরস্থানে । সিলেট হুমায়ুন রশীদ চত্তর এক প্রজন্মের অনুপ্রেরণা ।