পানের পিক আর আবর্জনায় ভরা সৈয়দপুর ১০০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল

সৈয়দপুর প্রতিনিধি (নিলফামারী)ঃ
প্রকাশিত: শনিবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০২৬, ১১:৫১ অপরাহ্ণ
পানের পিক আর আবর্জনায় ভরা সৈয়দপুর ১০০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল

রিস্কার-পরিচ্ছন্নতা ঈমানের অঙ্গ হলেও একথাটি অনুপস্থিত এ হাসপাতালে। আর সেটা হচ্ছে নীলফামারীর সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতালে। প্রতিটি দেওয়ালে পানের পিক আর যত্রতত্র আবর্জনার কারণে হাসপাতালের পরিবেশ বিঘ্নিত হচ্ছে। এছাড়া সিঁড়ি বেয়ে সাইকেল মোটরসাইকেল উঠানো ও রোগীদের মোবাইল ও টাকা-পয়সা চুরি নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতালে সৈয়দপুর ছাড়াও পার্শ্ববর্তী দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর, খানসামা, চিরিরবন্দর রংপুরের তারাগঞ্জ নীলফামারীর সদর উপজেলার রোগীরা এখানে চিকিৎসা নিয়ে থাকেন। প্রতিদিনই আউডডোরে ৩০০ থেকে ৪০০ রোগী চিকিৎসা নিয়ে থাকেন হাসপাতালটিতে।

নীলফামারীর জেলার এ হাসপাতালে সেবার পরিধি বেড়েছে। ফলে রোগীদের ভিড় বাড়ছে হাসপাতালটিতে। দূরদূরান্ত থেকে লোকজন প্রতিনিয়ত চিকিৎসার জন্য আসছেন এখানে। কিন্তু সেবার পরিধি বাড়লেও হাসপাতালে নেই প্রয়োজনীয় চিকিৎসক। পাশাপাশি চিকিৎসা সরঞ্জাম ও ওষুধেরও সংকট রয়েছে। এতে ব্যাহত হচ্ছে হাসপাতালের স্বাভাবিক সেবা কার্যক্রম।

রোগী দেখতে আসা অনেক স্বজন পান খেয়ে হাসপাতালের দেয়ালে পানির পিক ছুঁড়ে ফেলছেন, যা হাসপাতালের পরিবেশ নোংরা করে তুলছে। এতে একদিকে হাসপাতালের সৌন্দর্য নষ্ট হচ্ছে। অন্যদিকে রোগীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বেড়ে যাচ্ছে। মাইনুল হক নামে একজন রোগীর স্বজন জানান, কয়েকদিন আগে আমারও সাইকেল চুরি হয়েছে তিন তলা থেকে। শফিক খান নামে আরেক স্বজন জানান, আমার মায়ের ব্যাগ ও ওষুধ এবং টাকা কয়দিন আগে চুরি হয়। জান্নাত জুহি নামে এক রোগী জানান, কয়েকদিন আগে আমার মোবাইল ফোন চুরি গেছে।

এ ব্যাপারে হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডা. নাজমুল হুদা বলেন, হাসপাতাল পরিষ্কার রাখা শুধু কর্তৃপক্ষের নয়, আমাদের সবার দায়িত্ব। আসুন, সচেতন হই-হাসপাতাল পরিচ্ছন্ন রাখি এবং সেখানে থাকা রোগীদের সুস্থ পরিবেশ নিশ্চিত করি। তিনি হাসপাতালের পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার জন্য সকলের প্রতি আহবান জানান। চিকিৎসক সংকটের বিষয়টি কর্তপক্ষকে জানানো হয়েছে বলে জানান তিনি।