মাগুরায় মধু চাষে আলামিনের সাফল্যে অনুপ্রানীত হচ্ছে অন্যেরা

বিশেষ প্রতিনিধি মাগুরা ঃ
প্রকাশিত: সোমবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০২৬, ১২:৩০ অপরাহ্ণ
মাগুরায় মধু চাষে আলামিনের সাফল্যে অনুপ্রানীত হচ্ছে অন্যেরা

রিষা ফুল থেকে মধু চাষ করে বাজিমাত করেছেন আল আমিন। পৌষের শুরুতে মাঠে মাঠে বাতাসে দোল খায় সরিষা ফুল। সরিষা ফুল থেকেই তৈরি হয় মধু। সদরের ডেফুলিয়া গ্রামের মাঠে বক্স পেতে মধু সংগ্রহ করছেন আলামিন। মধু চাষ করে তার প্রতিষ্ঠানের নাম দিয়েছেন খাদিজা মৌ খামার।

মৌ চাষী আল আমিন জানান, পৌষের শুরুতে মাগুরার মাঠে মাঠে সরিষা ফুল থেকে মধু সংগ্রহ করেন তিনি।

সরিষা ফুলের পার্শ্ববর্তী মাঠে বক্স পেতে মধু সংগ্রহ করেন তিনি। এবার সদরের ডেফুলিয়া গ্রামের একটি মাঠে ৯০ টি বক্স পেতে মধু সংগ্রহ করছেন। সংগ্রহের কাজে ৬:জন শ্রমিক নিয়মিত কাজ করছেন। মৌমাছিদের পরিচর্যা, খাবার দেওয়ার কাজ করেন শ্রমিকরা। সপ্তাহের প্রতি সোমবার বক্স থেকে মধু উত্তোলন করা হয়। প্রতি সপ্তাহে ২-৩ মন মধু সংগ্রহ করা করা হয়।

আল আমিন আরো জানান,সংগ্রহীত মধু দেশের বিভিন্ন স্থানের বেপারীরা মাঠে এসে তাদের নিকট থেকে সংগ্রহ করেন। প্রতি কেজি মধু ৪শ থেকে ৫শ টাকা বিক্রি করেন চাষিরা। তাছাড়া এ মধু সে শরিয়তপুর,মানিকগঞ্জ, দিনাজপুর, ফরিদপুর, ঢাকা, বরিশাল, পটুয়াখালীসহ চট্টগ্রাম জেলায় বিক্রি করে থাকে।

এ বছর সে ১ লাখ ২০ হাজার টাকার মধু বিক্রি করেছেন। শুধু সরিষা ফুলের মধু নয়, আমি ধনে ফুলের,কালো জিরা ও লিচু ফুলের মধু সংগ্রহ করে থাকে। গ্রীষ্মকালিন সময় সে বিভিন্ন লিচু বাগান থেকে মধু সংগ্রহ করে থাকে। এক এক ফুলের মধু এক এক রকম রং হয়ে থাকে। কোন মধু গাড়ো,আবার কোন মধু পাতলা হয়ে থাকে। তবে সরিষা ফুলের মধুটা খুব পরিষ্কার হয়ে থাকে। কালো জিরার মধু অনেক সময় ওষুধে ব্যবহার করা হয়। সে মধুতে কোন চিনি মিশায়না তার মধুর চাহিদা ও গুনাগুন খুব ভালো।

অগ্রহায়ণ মাস থেকে তাদের মধু সংগ্রহের কাজ চলে। বছরের বাকি অন্য সময় সে সুন্দরবন অঞ্চলে মধু সংগ্রহের কাজ করে থাকে। বাজারে ভেজাল মধুর কারণে আল আমীনের মধুর চাহিদা সর্বত্র।