মাশরুম চাষের মাধ্যমে পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণসহ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে ভূমিকা রাখা সম্ভব

সিলেট প্রিতিনিধ ঃ
প্রকাশিত: বুধবার, ২১ জানুয়ারি, ২০২৬, ১১:৩৬ অপরাহ্ণ
মাশরুম চাষের মাধ্যমে পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণসহ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে ভূমিকা রাখা সম্ভব

ৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর খামারবাড়ির পরিকল্পনা, প্রকল্প বাস্তবায়ন ও আইসিটি উইংয়ের পরিচালক কৃষিবিদ মো: আব্দুস সাত্তার বলেছেন,খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন সম্ভব হলেও পুষ্টি গ্রহণে এখনো আমরা পিছিয়ে আছি। মাশরুম নানান গুণের পাশাপাশি পুষ্টিসমৃদ্ধ একটি হালাল সবজি। তাই এই ফসলের আবাদ বাড়াতে হবে। এর মাধ্যমে পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণসহ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে বিরাট ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে।” তিনি বলেন, পুষ্টির চাহিদা পূরণ এবং অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা অর্জনে মাশরুম চাষ একটি অত্যন্ত সম্ভাবনাময় খাত। এই প্রকল্পের মাধ্যমে গ্রামীণ জনপদে দারিদ্র্য বিমোচন এবং স্বাস্থ্যসম্মত পুষ্টি সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। তিনি অর্থকরী ফসল হিসেবে মাশরুমের উৎপাদন বৃদ্ধিতে সংশ্লিষ্ট সকলকে আরও এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

তিনি বুধবার দুপুরে সিলেট নগরীর একটি অভিজাত হোটেলে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই) সিলেট অঞ্চলের আয়োজনে সিলেটে মাশরুম চাষ সম্প্রসারণের মাধ্যমে পুষ্টি উন্নয়ন ও দারিদ্র্য হ্রাসকরণ প্রকল্পের আওতায় আঞ্চলিক কর্মশালায় (২০২৫-২৬) প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর সিলেট অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক ড. মো: মোশাররফ হোসেনের সভাপতিত্বে কর্মশালায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন,কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর খামারবাড়ির পরিকল্পনা, প্রকল্প বাস্তবায়ন ও আইসিটি উইংয়ের কৃষি অর্থনীতিবিদ(প্রকল্প প্রস্তুতকরন) কৃষিবিদ মোঃ মতিউর রহমান।

কর্মশালায় মুল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন,কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খামার বাড়ী ঢাকার মাশরুম চাষ সম্প্রসারণের মাধ্যমে পুষ্টি উন্নয়ন ও দারিদ্র হৃাসকরন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ড.মোঃ আখতার জাহান কাকন, এটিআই সিলেট এর অধ্যক্ষ সুব্রত কুমার চক্রবর্তী। কর্মশালায় বক্তব্য রাখেন,উপজেলা কৃষি অফিসার মনোরঞ্জন অধিকারী, একেএম মাকসুূুল আলম, মোঃ হুমায়ুন দিলদার, এইও মনোয়ার হোসেন।

কর্মশালায় প্রশিক্ষিত মাশরুম উদ্যোক্তা, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা, নার্সারি তত্ত্বাবধায়ক এবং বিভিন্ন এনজিও ও সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধিসহ সিলেট বিভাগের চার জেলা সিলেট, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ ও সুনামগঞ্জের কৃষি সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ এবং বিভিন্ন পর্যায়ের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

কর্মশালায় মাঠ পর্যায়ে প্রকল্প বাস্তবায়নের অগ্রগতি এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।