কাদের-পরশ-সাদ্দামসহ ৭ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি আজ

নিজস্ব প্রতিবেদক ঃ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি, ২০২৬, ১১:৩৫ পূর্বাহ্ণ
কাদের-পরশ-সাদ্দামসহ ৭ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি আজ

ুলাই ও আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক মন্ত্রী ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি আজ বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) অনুষ্ঠিত হবে।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল শুনানিটি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

ওবায়দুল কাদের ছাড়াও আসামিদের মধ্যে আরও রয়েছেন-সাবেক প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, সাবেক সংসদ সদস্য আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, শেখ ফজলে শামস পরশ ও মাইনুল হোসেন খান নিখিল এবং ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দাম হোসেন ও শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান। গত ১৮ জানুয়ারি এ মামলায় প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম ও প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম। শুনানিতে তারা আসামিদের ব্যক্তিগত দায় তুলে ধরেন। এর মধ্যে ওবায়দুল কাদেরের তিনটি অভিযোগ পড়া হয়।

এছাড়া সবার বিরুদ্ধে জুলাই-আগস্টে আন্দোলনকারীদের হত্যার নির্দেশ, উসকানি, প্ররোচনার অভিযোগ আনা হয়। এসব অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আবেদন করেন প্রসিকিউশন। পরে পলাতক আসামিদের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী লোকমান হাওলাদার ও ইশরাত জাহান। এর আগে, গত ৮ জানুয়ারি পলাতক আসামিদের পক্ষে স্টেট ডিফেন্স আইনজীবী নিয়োগ দেন ট্রাইব্যুনাল।

ওই দিন সাত আসামিরই আত্মসমর্পণের দিন ধার্য ছিল। কিন্তু তারা হাজির হননি। এছাড়া পরোয়ানা জারির পর ২৯ ডিসেম্বর গ্রেফতার করে তাদের ট্রাইব্যুনালে আনার কথা ছিল। তবে স্থায়ী-অস্থায়ী ঠিকানায় গিয়ে কাউকে খুঁজে পায়নি আইন প্রয়োগকারী সংস্থা। পরে ৩০ ডিসেম্বর পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেওয়া হয়। মানবতাবিরোধী অপরাধে ১৮ ডিসেম্বর আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল-২। একই দিন সকালে ফরমাল চার্জ দাখিল করে প্রসিকিউশন।

এদিকে, জেআইসি সেলে গুম ও নির্যাতনের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গঠিত অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে রিভিউ শুনানি করবেন আসামিপক্ষের আইনজীবীরা। শেখ হাসিনা ও সাবেক-বর্তমান ১২ সেনা কর্মকর্তাকে আসামি করা হয়েছে এই মামলায়। গেল সোমবার প্রথম সাক্ষী হিসেবে সাক্ষ্য দেন গুমের শিকার হুম্মাম কাদের চৌধুরী।