সড়কের পাশে ঝুঁকিপুর্ন গাছ দুর্ঘটনার আশংকা

মোঃ জহুরুল ইসলাম খোকন, সৈয়দপুর প্রতিনিধি (নিলফামারী)ঃ
প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ জানুয়ারি, ২০২৬, ২:৪১ অপরাহ্ণ
সড়কের পাশে ঝুঁকিপুর্ন গাছ দুর্ঘটনার আশংকা

ীলফামারীর সৈয়দপুর বিমানবন্দর সড়ক সহ শহরের একাধিক সড়ক ও মহল্লায় রেলওয়ের রোপন কৃত প্রায় ২০০ বছরের পুরাতন গাছ থাকায় আতংকিত হয়ে পড়েছেন পথচারি সহ শহরবাসী। সামান্য ঝর বৃষ্টি হলে যেকোন সময় ডালপালা পড়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশংকা অনেকের।

রেলওয়ে সুত্র জানায়, ১৮৭০ সালে আসাম বেঙ্গল রেলওয়ের বিশাল কারখানার গড়ে উঠে সৈয়দপুরে। ওই সময় কারখানার কর্মরত কর্মকর্তা ও কর্মচারীর বসবাসের জন্য নির্মাণ করা হয় আবাসিক একাধিক কোয়ার্টার ও দ্বিতল ভবন।

রেলওয়ের এ্যাকোয়াকৃত প্রায় সারে ৮০০ একর ভুসম্পত্তির শোভা বাড়াতে সড়ক ও আবাসিক এলাকায় রোপন করা হয় ২ হাজরেরও বেশি বিভিন্ন জাতের গাছ।রোপণ কৃত ওইসব গাছের মধ্যে অসংখ্য গাছ মারা যাওয়ার কারনে ও গোড়ায় পচন ধরায় কেটে ফেলেন রেলকর্তৃপক্ষ। বাকি গাছ গুলির ও ডাল মারা যাওয়া সহ গোড়ায় পচন ধরায় সেগুলি ও উপড়ে পড়ে ঘটতে পারে ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা।

সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, সৈয়দপুর বিমানবন্দর সড়কের দুই পাশে রয়েছে রেলওয়ের রোপন কৃত প্রায় ২০০ বছরের পুরাতন গাছ।

এই গাছ গুলির ডাল ও গোড়ায় পচন ধরেছে। সামান্য ঝরো হাওয়া হলেই যে কোন সময় ভেংগে পড়তে পারে মোটা মোটা ডাল ও গাছ উপরে ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা।

শহরবাসী বলেন, বিমানবন্দর সড়ক দিয়ে চলাচল করেন, এমপি মন্ত্রী সহ ভিআইপি ও সিআইপি মানুষ জন। রেলওয়ের রোপনকৃত গাছের যে অবস্থা তাতে দুর্ঘটনার আশংকাই শতভাগ।

যেসব গাছের অবস্থা করুন সেগুলো কেটে ফেলা উচিত। তবে কাটার আগে নতুন করে গাছ লাগানোও উচিত বলে মনে করছেন তারা। তা-না হলে রেলওয়ের শহর সৈয়দপুরের সড়ক ও মহল্লায় রোপণ কৃত পুরাতন গাছের ডাল ভেংগে অথবা গাছ উপড়ে অসংখ্য মানুষের প্রানহানী ঘটতে পারে। সড়কের পাশে বা আবাসিক এলাকায় বনায়ন মনোরম পরিবেশ করার পাশাপাশি অক্সিজেন সরবরাহ করে সত্য কিন্তু ২০০ বছরের পুরাতন গাছে প্রানহানী ঘটারও আশংকা রয়েছে শতভাগ।

সৈয়দপুর রেলওয়ের সহকারী আবাসিক প্রকৌশলী তহিদুল ইসলাম জানান, রেলওয়ের রোপনকৃত গাছে দুর্ঘটনার আশংকা রয়েছে সত্য কিন্তু উর্ধতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশ না পেলে কিছুই করা সম্ভব নয় বলে জানান তিনি। একই কথা বলেন রেলওয়ের কারখানার বিভাগীয় তত্বাবধায়ক (ডিএস) শাহ সুফি নুর মোহাম্মদ। তিনি বলেন, উর্ধতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মিললেই ঝুঁকি পুর্ন গাছ গুলি কেটে ফেলা সম্ভব হবে।অন্যথায় কিছুই করার নেই বলে মন্তব্য করেন তিনি।