ভোলার ৪ আসনে পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিবেন ১৪ হাজার ভোটার

শরীফ হোসাইন, বিশেষ প্রতিনিধি ভোলা ঃ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারি, ২০২৬, ১২:১০ অপরাহ্ণ
ভোলার ৪ আসনে পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিবেন ১৪ হাজার ভোটার

্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে সারা দেশের মতো ভোলাতেও পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট গ্রহণের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ভোলার ৪টি সংসদীয় আসনে পোস্টাল ব্যালটের জন্য ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধন সম্পন্ন করেছেন ১৪ হাজার ৭শ’ ৩০ জন ভোটার।

ইসি সূত্র জানায়, বিদেশে অবস্থানরত নিবন্ধিত ভোটার, নির্বাচনের দিন দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারী, নিজ নির্বাচনী এলাকার বাইরে কর্মরত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং কারাবন্দী বা আইনি হেফাজতে থাকা ভোটাররা পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।

ভোলা জেলা নির্বাচন অফিসের তথ্য অনুযায়ী, ভোলা-১ (ভোলা সদর) আসনে পোস্টাল ব্যালটের জন্য নিবন্ধিত ভোটার ৩ হাজার ৭শ’ ১ জন। ভোলা-২ (দৌলতখান বোরহানউদ্দিন) আসনে ৪ হাজার ২শ’ ৬১ জন, ভোলা- ৩ (লালমোহন-তজুমদ্দিন) আসনে ২ হাজার ৯শ’ ৮১ জন এবং ভোলা-৪ (চরফ্যাশন-মনপুরা) আসনে নিবন্ধিত হয়েছেন ৩ হাজার ৭শ’ ৮৭ জন ভোটার।

জেলায় মোট ভোটার সংখ্যা ১৬ লাখ ৯২ হাজার ৬শ’ ৮৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৮ লাখ ৭৯ হাজার ৮শ’ ৯৭ জন, নারী ভোটার ৮ লাখ ১২ হাজার ৭শ’ ৭৫ জন এবং হিজড়া ভোটার ১৬ জন। মোট ভোটারের প্রায় শূন্য দশমিক ৮৮ শতাংশ পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট প্রদান করবেন। এ জেলায় ৪টি সংসদীয় আসনে মোট বৈধ প্রার্থী রয়েছেন ২৪ জন। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, দেশ ও বিদেশ মিলিয়ে ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপের মাধ্যমে মোট ১৫ লাখ ৩৩ হাজার ৬শ’ ৮৩ জন ভোটার পোস্টাল ব্যালটের জন্য নিবন্ধন করেছেন। ভোলা জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো: আবদুল হাই আল হাদি জানান, প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দের পর পোস্টাল ব্যালটে ভোটগ্রহণ শুরু হবে।

ভোটাররা নির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ করে ব্যালটে ভোট প্রদান করে তা ডাকযোগে সংশ্লিষ্ট সংসদীয় আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে পাঠাবেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ব্যালট পৌঁছানো নিশ্চিত করতে ডাক ব্যবস্থাপনায় বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পোস্টাল ব্যালট গণনার জন্য জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ৪টি আলাদা কক্ষ নির্ধারণ করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের মতে, পোস্টাল ব্যালট ব্যবস্থা প্রবাসী ও দায়িত্বপ্রাপ্ত ভোটারদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করছে। এর ফলে নির্বাচন আরও অংশগ্রহণমূলক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক হবে বলে মনে করছে সংস্থাটি।