শুক্রবার, ০৭ মে ২০২১, ০৫:১৬ অপরাহ্ন

বিয়ের প্রলোভনে লাগাতর ধর্ষণ, এক মাসেও গ্রেফতার হয়নি আসামী

আব্দুস সবুর, তানোর প্রতিনিধি(রাজশাহী) ঃ
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২০
  • ৮৪ বার পঠিত

রাজশাহীর মোহনপুর সরকারী ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক মিজানুর রহমান মিজান তানোর উপজেলার জৈনক ব্যাক্তির মেয়ের সাথে প্রতারণার মাধ্যমে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে লাগাতর ধর্ষণ করে লাপাত্তা হয়ে যাবার পর ওই নারী বিয়ের দাবিতে প্রভাষকের বাড়িতে অনশন শুরু করলে মোহনপুর থানা পুলিশ হেফাজতে নেন।

চলতি বছরের গত ২২ জুলাই বুধবার বিকেলের দিকে ওই নারী বিয়ের দাবি নিয়ে প্রভাষকের বাড়িতে অনশন করা শুরু করলে অবশেষে সেখান থেকে পুলিশ হেফাজতে নেবার পর ওই রাতেই তানোর থানাই ওই নারীকে হস্তান্তরের পর থানায় মামলা দায়ের করা হয় । মামলার এক মাস পার হলেও রহস্যজনক কারনে গ্রেফতার হয়নি ধর্ষক নামের মানুষ গড়ার কারিগর প্রভাষক মিজানুর রহমান। এদিকে আসামী গ্রেফতারের পরিবর্তে রফাদফার কার্যক্রম চলছে বলেও একাধিক সুত্র নিশ্চিত করেছে। কারন প্রভাষকের মামা ক্ষমতাসীন দলের দাপটে নেতা বলেও প্রচার রয়েছে।

এর আগে ওই নারী প্রভাষক মিজান ও তাঁর সহযোগী মারুফ হোসেনকে বিবাদী করে আইনজীবীর মাধ্যমে পুলিশ ও ৯৯৯এ গত মাসের ১০ জুলাই তারিখের দিকে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।তবে মামলার অগ্রগতি ও আসামী গ্রেফতার নিয়ে নানা প্রশ্ন তুলেছেন ভুক্তভোগী এবং তাঁর পরিবার ।

চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটে গত মাসের ২২ জুলাই বুধবার বিকেলের দিকে মোহনপুর উপজেলার প্রভাষক মিজানের বাড়িতে। মানুষ গড়ার কারিগর প্রভাষক নামের নারীলোভী মিজানের চরম শাস্তির দাবি উঠেছে সর্ব মহল থেকে। কারন তাঁর বিরুদ্ধে এমন ঘটনা ঘটানোর অভিযোগ রয়েছে । অপর দিকে আসামী এক ইউনিয়ন পরিষদের মহিলা সচিবকে বিয়ে করেন বলেও নিশ্চিত হওয়া গেছে।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, তানোর উপজেলার পাচন্দর ইউপি এলাকার জৈনক ব্যাক্তির মেয়ে রাজশাহী কলেজ থেকে ইসলামের ইতিহাস বিষয়ে অনার্স মাস্টার্স করেন। গত ২০১৯ সালে মোহনপুর সরকারী ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক মিজানের সাথে মোবাইলে মধুর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। প্রেমের সম্পর্কের কারনে প্রভাষক মিজান ও তাঁর বন্ধু মারুফ মাঝে মধ্যেই ওই নারীর বাড়িতে আসতেন। আসা যাওয়া করতে করতে এক পর্যায়ে প্রভাষক ওই নারীর পিতা মাতাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন।

এরই মধ্যে চলতি বছরের ২৯ জানুয়ারি বুধবার প্রভাষক মিজান তাঁর পিতা মাতা ও বন্ধু মারুফ আসেন বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে। সব কথাবার্তা শেষ করে মিজানের পিতা মাতা বাড়িতে গেলেও যাননি প্রভাষক ও তাঁর বন্ধু। ওই দিন রাত প্রায় সাড়ে আট টার দিকে ওই নারীর ঘরে প্রবেশ করে শারীরিক সম্পর্ক বা ধর্ষণ করেন প্রভাষক। এভাবেই লাগাতর দু জনের মধ্যে বিয়ে না হলেও স্বামী স্ত্রীর সম্পর্ক গড়ে। এখানেই শেষ না ওই নারীকে শহরের বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করেছেন। আর এসব করতে সহায়তা করেন বন্ধু মারুফ।

প্রভাষক ধর্ষক মিজান জানান মেয়ের বয়স অনেক বেশি এজন্য বিয়ে করিনি আমি অসুস্থ, আমার মামা সুলতানের সাথে কথা বলেন।

মেয়ে জানান আমার জীবনটা শেষ করে দিয়েছে মিজান। এক মাসেও তাকে কেন গ্রেফতার করছেনা বুঝতে পারছিনা। তাঁরা ক্ষমতাসীন দলের লোক এজন্যই হয়তো পুলিশ তাকে ছাড় দিচ্ছে। আমি তাঁর চরম সাজা চাই যাতে করে অন্যরা এমন কাজ করতে ভয় পায়।

থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি রাকিবুল হাসান রাকিব জানান মামলার তদন্ত চলমান রয়েছে, গ্রেফতারের অভিযান চলছে। মামলার যাবতীয় কাগজপত্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে ।

এনিয়ে রাজশাহীর পুলিশ সুপার( এসপি) শহিদুল্লাহ বলেন মামলার কাগজপত্র দেখতে হবে বেলা ১১ টার দিকে পুনরায় ফোন দিবেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

এ জাতীয় আরো খবর..

cover3.jpg”><img src=”https://www.bssnews.net/wp-content/uploads/2020/01/Mujib-100-1.jpg”>

via Imgflip

 

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি  © All rights reserved © 2011 Gnewsbd24
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themesbazargewsbd451