সৈয়দপুর রাজনৈতিক জেলা বিএনপির সভাপতি, নীলফামারী-৪ আসনের সৈয়দপুর -কিশোরগন্জ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী আলহাজ্ব গফুর সরকার বলেছেন, বিএনপি দেশ প্রেমে একটি পরিক্ষিত দল।
একারনে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচনে জনগণ বিএনপিকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত করবে। দেশের মানুষ বিগত ১৭টা বছর তাদের পছন্দের দল ও প্রার্থীকে ভোট দিতে পারেনি। তাই সুযোগ আসছে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারী ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের দিন। ওইদিনই ভোটাররা দেশ প্রেমে ভরা দল বিএনপিকে ভোট দিয়ে দেশে দায়িত্ব তুলে দিবেন।
শুক্রবার ( ৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সৈয়দপুর উপজেলায় গণসংযোগ ও পথসভা শেষে তাঁর বাংগালী পুর এলাকার বাসভবনে তিনি এসব কথা বলেন। সৈয়দপুর রাজনৈতিক জেলা বিএনপির সভাপতি ও ধানের শীষের প্রার্থী আলহাজ্ব গফুর সরকার বলেন, বর্তমানে একমাত্র বিএনপিরই দেশ পরিচালনায় দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা রয়েছে।
সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর সহ তিন বারের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন বেগম খালেদা জিয়া। অতীতে দেশ পরিচালনার অভিজ্ঞতায় দেশ ও জনগণের উন্নয়নে প্রশংসনীয় ভূমিকা রেখেছেন। বিএনপি যতটা বছর দেশ পরিচালনার ক্ষমতায় ছিল, তখনই মানুষ সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যে, নির্ভয় ও নিরাপদে ছিল। আর একারনেই নীলফামারী-৪ আসন তথা দেশের বিএনপির ধানের শীষে ভোট দিতে আগ্রহ প্রকাশ করছেন।
তাঁরা আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচনে বিপুল ভোটে বিএনপির প্রার্থীদের নির্বাচিত করবেন বলে ভোটাররা জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিকল্প নেই। তার সততা ও নেতৃত্বেই দেশ সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাবে। দেশের জনগনের রায় নিয়ে দেশ গড়তে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীকে নির্বাচিত করতে নীলফামারী-৪ আসন সহ দেশের মানুষকে আহ্বান জানান, এই আসনের ধানের শীষের প্রার্থী আলহাজ্ব গফুর সরকার।
আলহাজ্ব গফুর সরকার আরো বলেন, দেশের দরিদ্র পরিবারকে নানামুখী রাষ্ট্রীয় সহায়তা দিতে কৃষি কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড প্রদান এবং শিক্ষিত বেকারদের কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে জনাব তারেক রহমান নানান পরিকল্পনা প্রণয়ন করেছেন।
ইতোমধ্যে রাষ্ট্রের কাঠামো মেরামতের জন্য ৩১ দফার প্রস্তাবনা দেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে তুলে ধরেছেন। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে উন্নয়নের নানান কর্মসূচি পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানান তিনি।
তিনি বলেন, একটি দলের প্রার্থী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে নির্বাচন করেছিলেন। ওইসময় বিএনপি নির্বাচনে অংশ গ্রহন করে নাই।
একারনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী ও আওয়ামী লীগের প্রার্থীকে ল্যাং মেরে স্বতন্ত্র প্রার্থী আলহাজ্ব সিদ্দিকুল আলম সিদ্দিককে নির্বাচিত করেছিলেন ভোটাররা। কিন্তু সিদ্দিকুল আলম সাংসদ নির্বাচিত হয়েই স্বৈরাচার সরকার শেখ হাসিনার চামচামি শুরু করে দেন। একারনে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন নীলফামারী-৪ আসনের জনগন। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দোষর প্রার্থীকে দাঁত ভাংগা জবাব দিবেন বলে তিনি জানান।
ওইসময় উপস্থিত ছিলেন সৈয়দপুর রাজনৈতিক জেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক সাহিন আকতার সাহিন, সিনিয়র সহসভাপতি এডভোকেট ওবায়দুল রহমান, জিয়াউল ইসলাম জিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন প্রামানিক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এরশাদ হোসেন পাপ্পু, পৌর বিএনপির সভাপতি রশিদুল হক সরকার, সাধারন সম্পাদক শেখ বাবলু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রনি, সাংগঠনিক সম্পাদক সোহাগ প্রমুখ।