ঠাকুরগাঁও-১ আসনের জামায়াতের প্রার্থী ইসলামী ছাত্র শিবিরের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সভাপতি দেলাওয়ার হোসেন বলেন, কোন সন্ত্রাসী ভোট কেন্দ্র দখল বা জাল ভোট দিতে পারবে না। কারণ সেনাবাহিনীসহ দেশের সকল আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সজাগ রয়েছে। অতএব কোন ভয় নেই।
রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রুহিয়া ইউনিয়নে নির্বাচনি সভায় তিনি এ কথা বলেন।
ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, জামায়াত মনোনীত ছাত্র শিবিরের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সভাপতি দেলাওয়ার হোসেন ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জেলা কমিটির সভাপতি খাদেমুল ইসলাম প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
জামায়াতের প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন বলেন, জনগণ আমাকে বিলাস বহুল গাড়িতে-বাড়িতে চড়ে বেড়ানোর জন্য জণগণ আমাকে ভোট দেবে না। জনগণ ভোট দেবে তাদের সেবা করার জন্য। আমি দেলাওয়ার স্পষ্ট ভাষায় বলতে চাই- আমি জনগণের সেবক হতে চাই। আমি জনগণের জন্য কাজ করতে চাই। মানুষের জীবনমানের উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে চাই৷
তিনি বলেন, ঠাকুরগাঁও জেলা সবদিক থেকে অবহেলিত। এই অবহেলিত জনপদে শান্তি ফিরিয়ে আনবো। এখানকার প্রত্যেকটি মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা হবে। কোন মানুষ চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হবে না। উন্নয়নে অবদান রাখতে চাই।
ঠাকুরগাঁও সদর আসনকে বেকার মুক্ত করা হবে জানিয়ে দেলাওয়ার হোসেন বলেন, এখানকার তরুণ নারী-পুরুষেরা শিক্ষিত। কিন্তু চাকরি পাচ্ছে না। আমি এসব বেকার তরুণ সমাজকে নিয়ে কাজ করবো। এখানে ভারি শিল্প কলকারখানা করা হবে। এই আসনকে আধুনিক আসন হিসেবে গড়ে তোলা হবে। বেকারদের চাকরির ব্যবস্থা করা হবে। কেউ বেকার থাকবে না।
তিনি বলেন, চাঁদাবাজদের ঠাঁই দেওয়া হবেনা। এখানে মানুষ নিশ্চিন্তে তাদের কাজ করে যাবে। কেউ চাঁদাবাজি করতে আসলে তাদের প্রতিহত করা হবে। সেই সাথে যারা মিথ্যে মামলা দিয়ে মানুষকে হয়রানি করছে সেটারও হিসাব আমরা নেব। কোন মানুষকে আমরা হয়রানি হতে দেবনা।
দেলাওয়ার হোসেন বলেন, জনগণ জামায়াতকে বিজয়ী করলেও আমরা একক ভাবে সরকার গঠন করবো না। আমরা জাতীয় সরকার গঠন করবো। আমরা একক ভাবে সরকারে যাবো না। সকল রাজনৈতিক দলগুলোকে নিয়ে জাতীয় সরকার গঠন করা হবে এবং দেশ পরিচালনা করা হবে।
আমরা চাই আগামী দিনে সুন্দর রাজনৈতিক কালচার প্রতিষ্ঠা হোক। রাজনৈতিক দলের মধ্যে কোন ভেদাভেদ থাকবে না।
এসময় তিনি সকলের কাছে আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট চান।