ঢাকা-১১ (বাড্ডা-রামপুরা-ভাটারা) আসনে বর্তমানে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনী পরিস্থিতি বেশ জমে উঠেছে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এই আসনে প্রধানত দুই প্রার্থীর মধ্যে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতার সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে।
২০২৬ সালের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশনের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী ঢাকা-১১ আসনের মোট ভোটার সংখ্যা ৪,৩৯,০৭৮ জন।
মোট ভোটার সংখ্যা: ৪,৩৯,০৭৮ জন। ভোটারদের মধ্যে পুরুষ ভোটার: ২,২২,৮৭৭ জন। ভোটারদের মধ্যে নারী ভোটার: ২,১৬,১৯৮ জন। ভোটারদের মধ্যে হিজড়া (তৃতীয় লিঙ্গ) ভোটার: ৩ জন। মোট ভোটকেন্দ্র: ১৬২টি।
বিভিনন্ন তথ্য অনুযায়ী, এই আসনে মূলত নাহিদ ইসলাম এবং ড. এম এ কাইয়ুমের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের সম্ভাবনা রয়েছে।
প্রথমত রয়েছেন নাহিদ ইসলাম (জাতীয় নাগরিক পার্টি – এনসিপি) যার প্রতীক রয়েছে ”শাপলা কলি”।
নাহিদ ইসলাম এর সম্ভাবনায় যা রয়েছে – তিনি বর্তমানে এই আসনের অন্যতম শক্তিশালী প্রার্থী। বিশেষ করে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে তার ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে।
নাহিদ ইসলাম ১১-দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের সমর্থিত জোট প্রার্থী। এই জোটে জামায়াতে ইসলামীর মতো বড় দলের সমর্থন থাকায় তার জয়ের সম্ভাবনা অনেকটা জোরালো। জামায়াত আমীর শফিকুর রহমান এবং খেলাফত মজলিসের আমীর মামুনুল হক সরাসরি তার পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়েছেন।
যেভাবে প্রচারণা করছেন – তিনি ডিজিটাল প্রচারণায় বেশ এগিয়ে আছেন এবং এলাকার ভূমিদস্যুতা ও সিন্ডিকেট নির্মূলের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোটারদের আকৃষ্ট করার চেষ্টা করছেন।
দ্বিতীয়ত রয়েছেন ড. এম এ কাইয়ুম (বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল – বিএনপি) যার প্রতীক রয়েছে ”ধানের শীষ”।
ড. এম এ কাইয়ুম এর সম্ভাবনায় যা রয়েছে – বিএনপি এই আসনের একটি ঐতিহ্যবাহী বড় শক্তি। দলটির নিজস্ব একটি বিশাল ভোটব্যাংক রয়েছে। ড. কাইয়ুম দলটির ক্ষুদ্র ঋণ বিষয়ক সম্পাদক এবং স্থানীয় রাজনীতিতে দীর্ঘদিনের পরিচিত মুখ। বিএনপির দলীয় সংহতি ও তৃণমূল ভোটাররা যদি ঐক্যবদ্ধভাবে ভোট দেয়, তবে তিনি নাহিদ ইসলামের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবেন।
অন্যান্য প্রার্থীর মধ্যে এই আসনে আরও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মো. আরিফুর রহমান (গণঅধিকার পরিষদ) – ”ট্রাক প্রতীক” মার্কায়।