সংসদে জনগণের বরাদ্দের একটি টাকাও আমার পেটে যাবে না। জামাদের কেউই আমানত খেয়ানত করবে না ইনশাআল্লাহ। ১৫ ফেব্রুয়ারী বিকেলে নির্বাচনে হেরে যাওয়া প্রার্থীদের ফুলের তোড়া দিয়ে কুশল বিনিময় কালে এমনই মন্তব্য করেন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচনে নীলফামারী -৪ আসনে নির্বাচিত সংসদ সদস্য ও উপজেলা জামায়াতের আমীর হাফেজ মোঃ মুনতাকিম।

তিনি বলেন, রাজনীতি আমার কাছে ক্ষমতা লোভ ও ভোগের জন্য নয়। জনগণের সুখে দুঃখে পাশে থাকাটাই আমার মুল লক্ষ। সেই লক্ষ্যেই আমি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ সদস্য পদে নির্বাচন করেছি। জনগনও আমাকে ভালো বেসে ও বিশ্বাস করে বিপুল ভোটে বিজয়ী করেছেন। একারনে আমি ও জনগণের ভালোবাসা ও বিশ্বাসকে মুল্য দিতে চাই। জনগণের দেয়া দায়িত্ব পালনে সততা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করবোই করবো ইনশাআল্লাহ। জনগণের একটি টাকাও যেন অপচয় বা আত্মসাৎ না হয়, সে দিকে আমি কঠোর অবস্থানে থাকবো।

এমপি মুনতাকিম আরও বলেন, বর্তমান সমাজে দুর্নীতি, সন্ত্রাস ও দখলবাজরাই বড় সমস্যা। তাদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেয়ার আগে নিজেকে সৎ রাখতে হবে। আমি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি জনগণের অধিকার রক্ষায় এবং উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নে কোনো অনিয়ম সহ্য করবো না।

আমার দলের নাম ভাংগীয়ে বা আমার নাম ভাংগীয়ে কেউ মব সৃষ্টি করতে চায়,সেটিও সহ্য করা হবে না। কারন সৈয়দপুর ও কিশোরগঞ্জের সব দলের ভোটাররা আমাকে তাদের মুল্যবান ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছেন। আমি জামাতের আমির হলেও এমপি সবার। সব দলের নেতা কর্মী ও সমর্থকদের সাথে নিয়ে নীলফামারী- ৪ আসনের উন্নয়ন করতে চাই। সরকারের দেয়া বরাদ্দের একটি টাকাও আমার পেটে যাবে না, এটা আমার প্রতি বিশ্বাস রাখতে পারেন বলে জানান তিনি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ সদস্য নীলফামারী -৪ আসনে হেরে যাওয়া জাতীয় পার্টির প্রার্থী আলহাজ্ব সিদ্দিকুল আলম সিদ্দিককে ফুলের তোড়া দিয়ে কুশল বিনিময়ের সময় উপস্থিত ছিলেন, রংপুর জাতীয় পার্টির নেতা ও সাবেক রংপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র মোস্তফা আহমেদ, সৈয়দপুর শহর জামাতের আমির সরফুদ্দিন আহমেদ সহ জামাতের নেতৃবৃন্দ।