ভারতে, বাংলাদেশী পন্যের যথেষ্ট চাহিদা থাকলেও হিলি স্থলবন্দর দিয়ে শুধু ভারতীয় পন্যের আমদানিই বেড়েছে, কিন্তু বাড়েনি এদেশ থেকে সে দেশের চাহিদা পন্যের রপ্তানি। বিগত বছর গুলোতে ভারতের বিভিন্ন পন্য রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করেছে। বন্দরের সড়ক ও অবকাঠামো উন্নয়ন সহ দু’দেশের কাষ্টমস সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ সহযোগীতার হাত বাড়ালে রপ্তানি বেড়ে উঠবে বলে মনে করছেন বন্দরের ব্যবসায়ীরা।

আমদানি-রপ্তানি সম্ভাবনাময় দেশের ২য় বৃহত্তম বানিজ্য কেন্দ্র হিলি স্থলবন্দর। আর এবন্দর দিয়ে হাতেগোনা কয়েকটি পন্য ছাড়া সকল পন্যেরই আমদানির অনুমতি রয়েছে। তবে দেশের চাহিদা থাকায় এবন্দর দিয়ে আসছে শুধু পেঁয়াজ, রসুন, আদা, মরিচ, খৈইল, ভুষি, চাল, মটরযান যন্ত্রাংশ সহ বিভিন্ন পন্য সামগ্রী। আমদানির সিংহভাগ পন্যই রয়েছে শুল্কমুক্ত। তেমনি সারা ভারতেই চাহিদা রয়েছে এদেশের রাইচব্র্যান্ড ওয়েল, চিটাগুড়, গার্মেন্টস ফ্যাক্টরির কাপড়ের ঝুট, সুতা, কলা, শাকশব্জি, পেঁয়াজের ফুল কৃষি পন্য ও কৃষিযন্ত্রপাতি, প্লাষ্টিক জাত পন্য সহ নানা পন্যের। আর এখন রপ্তানি হচ্ছে রাইচ ব্যান্ড ওয়েল, চকলেট, বিস্কিট, লাচ্চাসেমাই প্লাষ্টিক যাত পন্য ও ফার্নিচার,সিনেটারি পন্য, টোষ্ট বিস্কিট ও পানিয় জাতীয় পন্য।

হিলি কাষ্টমস বলছে, গেলো ৮ মাসে হিলিস্থবন্দর দিয়ে ১৩হাজার ৯২১ মেট্রিক টন পন্য রপ্তানি হয়েছে। আর রপ্তানি খাতে বৈদেশীক মুদ্রা আয় হয়েছে ১৫৩ কোটি ৮০ লাখ টাকা।

হিলি স্থলবন্দরের ব্যবসায়ীরা বলছেন, ভারত হিলিতে নেই সহকারী কমিশনার বা কমিশনারের অফিস, নেই উদ্ভিদ সংঘনিরোধ কেন্দ্র, নেই অবকাঠামোগত উন্নয়ন। তবে দু’দেশের কাষ্টমস সংশ্লিষ্ট উর্দ্ধতন কতৃপক্ষ সু-নজর দিলেই ভারতের চাহিদা পন্য হিলি স্থলবন্দর দিয়ে রপ্তানি সম্ভব। এতে অনেকগুনে রপ্তানি আয় বেড়ে উঠবে।