আসন্ন ঈদুল ফিতরে যাত্রী পরিবহনের জন্য ১০৬ কোচ মেরামতের উদ্যোগ নিয়েছে সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানা কর্তৃপক্ষ। কারখানার স্বাভাবিক কাজের পাশাপাশি এসব কোচ মেরামত চলমান রয়েছে।
নতুন কোচ মেরামত সম্পন্ন হলে ঈদে ঘরমুখী যাত্রীরা স্বাচ্ছন্দে তাদোর গন্তব্যে পৌঁছতে পারবেন বলে আশা করছেন কর্তৃপক্ষ।
১৮৭০ সালে আসাম বেঙ্গল রেলওেয়ের বিশাল কারখানা স্হাপিত হয় সৈয়দপুরে। সেই থেকে প্রতিবছর ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার যাত্রীসেবার কথা চিন্তা করে কোচ মেরামত করা হয় এই কারখানায়।
সম্প্রতি এই কারখানায় জনবল সংকট সত্বেও কর্মকর্তা- কর্মচারীরা আসন্ন ঈদুল ফিতরে যাত্রী সেবায় ১০৬টি কোচ মেরামতের উদ্যোগ নিয়েছে কারখানা কর্তৃপক্ষ। গত বছর এই কারখানায় ১৬৭ টি কোচ মেরামত হলেও এবারে জনবল সংকটে মেরামত হচ্ছে ১০৬ টি কোচ।

রেলওয়ে কারখানা সূত্র জানায়, সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার ২৯টি শপে (উপ-কারখানা) ১০৬টি কোচ মেরামতের কর্মযজ্ঞ শুরু হয়েছে।
এরমধ্যে রয়েছে ৬০টি ব্রডগেজ (বড় লাইন) লাইনের ও ৪৬টি মিটার গেজ ( ছোট লাইন) রয়েছে। এসব কোচ মেরামতে মাত্র ৩৯ দিন কর্মদিবস হাতে পেয়েছে কর্মকর্তা-কর্মচারী। গত বছর ঈদুল ফিতরে ১৬৭টি কোচ মেরামত করা হয়েছিলো এ কারখানায়।
মেরামত করা কোচগুলো আগামী ১৪ মার্চের মধ্যে রেলওয়ের ট্রাফিক বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হবে। হাতে সময় থাকলে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে আরো ২০ টি কোচ মেরামত হতে পারে বলে আশা করেছেন কারখানার কর্ম ব্যবস্হাপক মমতাজুল হক।
সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার বিভাগীয় তত্বাবধায়ক (ডিএস) শাহ সুফী নূর মোহাম্মদ বলেন, বাংলাদেশ রেলওয়ে হচ্ছে দেশের নিরপাদ সেবাখাত। প্রতিবছর যাত্রীসেবা দিতে আমরা বিপুল পরিমাণ কোচ মেরামত করে থাকি। এসব কোচ পশ্চিমাঞ্চল এর বিভিন্ন রুটে স্পেশাল ট্রেন হিসেবে চালানো হয়।
এছাড়াও আন্ত:নগর কোচগুলোতেও কোচ সংযোজন করা হয়। ফলে স্বজনরা নিরাপদে পরিবারের কাছে গিয়ে ঈদ উদযাপন করতে পারেন। মোটা অংকের বরাদ্দ পেলে আমাদের এই কারখানায় ট্রেনের ইন্জিন ছাড়া সব কিছুই তৈরি সম্ভব বলে জানান তিনি।