ঈদ উল ফিতরকে সামনে রেখে নতুন পোশাক কেনাকাটায় ব্যস্ততা বেড়েছে নীলফামারীর সৈয়দপুর শহরের বিভিন্ন মার্কেট ও বিপণি বিতানে।
এবারে ঈদের কেনাকাটায় মধ্যবিত্ত সহ সর্বস্তরের মানুষের ভীড় লক্ষ করা গেছে শহরের রেলওয়ে মার্কেটে। ৭ মার্চ দুপুরে শহরের রেলওয়ে মার্কেটে আলহাজ্ব কাপড়ের দোকানে উপচে পড়া ভীড় লক্ষ করা গেছে।
দেখা যায়, পরিবারের ঈদ শপিং মানেই এক বিচিত্র সমীকরণ। সৈয়দপুরে ঈদ শপিংয়ে ব্র্যান্ডের কাপড়ের পাশাপাশি গুরুত্ব পাচ্ছে টেকসই এবং ফ্যাশনেবল পোশাক। তাই সাশ্রয়ী মূল্যের পোশাকের জন্য সৈয়দপুর রেলওয়ে মার্কেটে স্বর্বস্তরের মানুষের ভীড়।
এই প্রথম ঈদ এ পোশাকের ডিজাইন, রঙ ও কাপড়ে ভিন্নতা আনার চেষ্টা করেছে বিভিন্ন দেশীয় পোশাক উৎপাদকরা।
সৈয়দপুর রেলওয়ে মার্কেটের বিভিন্ন দোকান ঘুরে দেখা যায়, মেয়েদের কামিজ-কুর্তি-ফতুয়ায় হরেক রঙের ব্যবহার এনেছে ছোট বড় ব্র্যান্ডগুলো। ছেলেদের পাঞ্জাবি এবং হস্তশিল্পে এনেছে নতুনত্বের ছোঁয়া।
পাশাপাশি এবারের লিনেন, কারচুপি ও নকশি কাজ করা পোশাকও কিনছেন অনেকে। সাশ্রয়ী মূল্যে পরিবারের সকলের জন্য শাড়ি, পাঞ্জাবি ও সালোয়ার কামিজ কিনছেন ক্রেতারা। দেশি কাপড়ের পোশাকই বেশি কেনাবেচা হচ্ছে এই মার্কেটে।
সব ক্রেতাই বলছেন, শাড়ি, পাঞ্জাবি ও সালোয়ার কামিজের ডিজাইনে নতুনত্বের ছোঁয়া লক্ষ করা যাচ্ছে।
২০২৪ থেকে বিদেশি কাপড়ের প্রতি আকর্ষণ কমেছে ক্রেতা সাধারণের। একারনে দেশীয় পোশাকে নকশা-জরি ও চুমকির ব্যবহার এনে ক্রেতাদের আকর্ষণ করছে অনেক ব্র্যান্ড। আর ছেলেদের জন্য নিয়ে এসেছে আরামদায়ক কাপড়ের পাঞ্জাবি। রমজানের তৃতীয় সপ্তাহের শুরুতেই পুরোদমে বেচা-কেনা চলছে বলে জানালেন বিক্রেতারা।
বিক্রেতারা বলছেন, এবারে ক্রেতারা ঈদ উপলক্ষে সুতি, লিনেন, জর্জেট কাপড় নিয়ে পোশাকে হাতের কাজ করছেন। তৈরী পোশাকের চেয়ে গজ কাপড় কিনে ক্রেতারা পছন্দের পোশাক তৈরী করছেন।
তারা বলেন, দামে কম ও পছন্দের পোশাক পাওয়া যাচ্ছে বলে সৈয়দপুর রেলওয়ে মার্কটে ক্রেতাদের ভীড় বেড়েই চলেছে।
সৈয়দপুর বস্ত্র সমিতির সভাপতি আলহাজ্ব মন্জুর আলম বলেন, এবারে ক্রেতা সাধারনের জন্য শহর জুড়ে আইনি তৎপরতা বৃদ্ধি করা হয়েছে। তাঁরা যেন নির্ভয়ে তাঁদের ইদের কেনাকাটা করতে পারে এজন্য শহর জুড়ে সিসিটিভি স্থাপন করা হয়েছে বলে জানান তিনি।