রাজধানীতে ”খিলগাঁও সচেতন নাগরিক সমিতি”র এক ইফতার মাহফিল ও পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত হয়। রমজানের এই সময়ে স্থানীয় নাগরিকদের মধ্যে ঐক্য ও সচেতনতা বাড়াতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

আজ মঙ্গলবার খিলগাঁও তালতলার একটি রেস্টুরেন্টে “খিলগাঁও সচেতন নাগরিক সমিতি”র ইফতার মাহফিল ও পরিচিতি সভায় পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয় এবং সদস্যদের ব্যক্তিগত পরিচিতি পর্বের মধ্য থেকে একে অপরের সাথে সেতুবন্ধন তৈরি হয়।

যেহেতু সভায় ”খিলগাঁও সচেতন নাগরিক সমিতি”র বিশেষ লক্ষ্য ও সমাজের বিভিন্ন স্তরে সচেতনতা বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে, তাই বলা যায় এটি কেবল একটি ইফতার মাহফিল ছিল না, বরং এলাকার উন্নয়নে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ ছিল।

ব্যতিক্রমধর্মী এবং বৈচিত্র্যপূর্ণ একটি আয়োজনের বর্ণনা দিয়ে সমিতির প্রতিষ্ঠাতা প্রধান জনাব মোহাম্মাদ ইউসুফ বলেন, এটি একটি অরাজনৈতিক সংগঠন, একটি অরাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মে যখন ডাক্তার, আইনজীবী, সাংবাদিক, ব্যবসায়ী, পরিবেশবিদ, শিক্ষক, রাজনীতিবিদ এবং শিক্ষার্থীদের মতো সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষ একত্রিত হয়, তখন সেই সংগঠনটি এলাকার উন্নয়নে অনেক বেশি শক্তিশালী ভূমিকা রাখতে পারে।

তিনি আরোও বলেন, এই পেশাজীবীদের এই বহুমাত্রিক অংশগ্রহণ বা ‘মাল্টি-ডিসিপ্লিনারি অ্যাপ্রোচ’ খিলগাঁওয়ের স্থানীয় সমস্যাগুলো সমাধানে এবং সামাজিক সচেতনতা তৈরিতে অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বিশেষ করে রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে সবার এই মিলনমেলা সামাজিক সংহতির একটি দারুণ উদাহরণও হতে পারে।

এবং এই সম্মিলিত শক্তিকে কাজে লাগিয়ে সমিতির মাধ্যমে যে কোন সামাজিক সমস্যায় সমিতির সদস্যদের একে অপরের প্রতি খোঁজ খবর সহ বিভিন্ন সহযোগিতায় পাশে থাকা, যানজট নিরসন, বৃক্ষ রোপন, মশক নিধন বা রক্তদান কর্মসূচির মত গুরুত্বপূর্ন বিষয়েও ভুমিকা রাখতে পারে।

উক্ত পরিচিতি ও ইফতার মাহফিলে যার যার যায়গা থেকে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আগত সদস্যগন তাদের সংক্ষেপে মূল্যবান বক্তব্য প্রদান করেন।

অনুষ্ঠানের আয়োজকদের মধ্যে যাদের অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে সফল সম্ভব হয়েছে, মোহাম্মাদ ইউসুফ, মাজেদুল আলম মাসুম, জাহাঙ্গীর আলম মিলন, আমিনুল ইসলাম আমিন, সিরাজুল হক সুজন, নওশাদ আলম সহ পরোক্ষ ও প্রত্যক্ষভাবে সহযোগিতা করেছেন তাদের সকলের কাছে ”খিলগাঁও সচেতন নাগরিক সমিতি”র পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।