সহিদ উন নবীর রচনা ও পরিচালনায় ঈদের ২য় দিন একক নাটক ”দেখা হবে বন্ধু” । অভিনয়ে ঃ তৌসিফ মাহবুব এবং আইশা খান প্রমুখ। নাটকটি প্রচারিত হবে রাত সাড়ে ৯টায়।

সংক্ষেপে গল্প ঃ নাতাশা পাতায়াতে একটি সেমিনারে অংশ নিতে এসেছে। রিসোর্টের লবিতে বসে কাজ করছিলো, তখনই আরেক বাংলাদেশি পর্যটক, কার্টুনিস্ট হিল্লোল, নাতাশার একটি কার্টুন এঁকে ডাকে উপহার দিলো। হিল্লোল হাসিমুখে বললো, ‘সারাক্ষণ এমন বিরক্ত থাকলে আপনার চেহারা এমনই হয়ে যাবে। নাতাশা প্রচণ্ড বিরক্ত হলো, কারণ হিল্লোলের গায়ে পড়া স্বভাব এবং অতিরিক্ত কথা বলা তাকে পীড়া দেয়।

নাতাশা সবসময় প্রমাণ করতে চায় যে সে একাই সব পারে, তার কাউকে লাগে না। কিন্তু যতই সে প্রমাণ করতে চায়, ততই সে ঝামেলায় পড়ে। আর এই ঝামেলার জায়গাগুলোতেই হিল্লোলের সাথে তার দেখা হয়। যেমন রেস্টুরেন্টে গিয়ে থাই মেনু দেখে কিছুই বুঝতে পারে না, হিল্লোল এগিয়ে এসে নাতাশাকে সাহায্য করে। হিল্লোল বলে, “না জানার মধ্যে কোনো সমস্যা নেই। সমস্যা হলো না জেনে জানার ভান করা।

একদিন সন্ধ্যায়, নাতাশা বারে যায়। তাকে দেখেই মনে হয় যে সে প্রথমবার এসেছে। নিজেকে আত্মবিশ্বাসী প্রমান করার জন্য সে প্রিয় অর্ডার করে।

তারপর নাক-মুখ কুঁচকে জীবনের প্রথম ত্রিস্ব শেষ করে। এক রোড তখন নাতাশার দিকে এগিয়ে আসে। হিল্লোল সেই সময়ে বারে ছিল এবং নাতাশাকে গ্রডের হাত থেকে বাঁচায়।

নাতাশা হিল্লোলের উপর খুব বিরক্ত হয়। কিন্তু হিল্লোন নাতাশাকে বোঝায়, “এই সব বাবে প্রচুর জাত থাকে, তারা চিপ্ত করার বাহানায় মেয়েদের তিপ্তে নেশার দ্রব্য মেশাষ। তারপর মেয়েদের এবিউাদ করে এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে মেয়েদের পাচারও করে।

একদিন, নাতাশা ভাড়ায় একটি স্কুটার নিয়ে বের হলো। হিড্রোন তাকে একা যেতে মানা করলেও, নাতাশা বললো, ‘আমি বাচ্চা না। কিছু দূর গিয়ে তার স্কুটারটি নষ্ট হয়ে গেল। অনেকক্ষন রাস্তায় দাঁড়িয়ে কোনো লিয়ট পেল না। কিছুক্ষন পর, হিল্লোল একটি স্কুটার নিয়ে এসে বললো, “লিফট চাই। নাতাশা কিছু না বলে হিল্লোলের ভূটারে উঠলো।

নাতাশা হিল্লোলকে এড়াতে চায়, কিন্তু হিল্লোলের মধ্যে একধরনের আকষন আছে যা নাতাশা এড়াতে পারে না।

দুদিন পর, নায়াশা শপিংয়ে গিয়ে তাব পাসপোর্টসহ ব্যাগ চুরি হয়ে যায়। যে ভীষন বিপদে পড়ে এবং সাহায্যের জন্য হিল্লোল এগিয়ে আসে। হিল্লোলের সহায়তায় নাতাশা সোমিনারটিতেএই কয়দিন নাতাশা কী করবে বুঝে উঠতে পারে না।

হিল্লোল তাকে প্রস্তাব দেয় যে যতদিন পাসপোর্ট না হয়, ততদিন তার সাথে সময় কাটানোর জন্য। যেহেতু হিল্লোন তার এত উপকার করেছে, নাতাশা তাকে মানা করতে পারে না। ধীরে ধীরে হিল্লোলের আচরণে নাতাশার দ্বিধা-দ্বন্দ্ব দূর হয়ে যায় এবং তাদের মধ্যে একটি বন্ধুত্বের সম্পর্ক তৈরি হয় ।

হিল্লোন নাতাশার কাছ থেকে জানতে পারে তার ব্রেকআপের কাহিনী।নাতাশার বয়ফ্রেন্ড নাতাশাকে ছেড়ে গেছে কারণ নাতাশা নাকি আত্মবিশ্বাসী না।হিল্লোল তখন নাতাশাকে বোঝায়, “তুমি যা তোমার ভাই থাকা উচিত, অন্য কারোর মতো হওয়ার দরকার নেই।

তবে হ্যাঁ, জীবনে চলতে গেলে কিছু স্কিলের দরকার হয়, তবে সেটা নিজের আত্মসত্ত্বা বিসর্জন দিয়ে নয়।”এরপর হিল্লোনের সাথে নাতাশার একটি নতুন অধ্যায় শুরু হয়। তারা একসাথে স্কুবা ডাইভিংয়ে যায়। প্রথমে নাতাশা খুব ভয় পেলেও পানির নিচে হিল্লোলের সাহসিকতায় সে খুব মজা পায়। এভাবে দুজনের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা বাড়ে।

একদিন, নাতাশা আবার একা স্কুটার নিয়ে যের হয়। কিছু দূর গিয়ে স্কুটারটি আবার নষ্ট হয়ে যায়। অনেকক্ষণ রাস্তায় দাঁড়িয়ে কোনো নিষট পায় না।

তখন হিল্লোল এসে বলে, “নিষট চাই। নাতাশা একটু বিরক্ত হয়ে বলে, “তুমি কি সবসময়ই এমন সময়মতো এসে হাজির হব? হিল্লোল হাসিমুখে বলে, “হয়তো তোমার ভাগ্যে আমি আছি নাবাশার আরেকটি রোমান্টিক মোমেন্ট হলো, যখন হিল্লোল নাতাশাকে নাচতে শেখাতে যায়। নাতাশা নাচছে আানে না এবং হিল্লোল তাকে শেখানোর চেষ্টা করে। প্রথমে নাতাশা হিল্লোলের পায়ে ও দিয়ে দেয় এবং হিল্লোল মৃদু হাসে। তারপর থল্লোল তাকে দীবে। বীরে নাচের স্টেপ শেখায়।তাদের সম্পর্ক আরও গভীর হয়।

একদিন হিল্লোল রিসোর্টে’ খুব অসুস্থ হয়ে পড়ে। নাতাশা জানতে পারে হিল্লোলের একটি কঠিন অসুখ আছে এবং একটি অপারেশন করতে হবে। ওর বাঁচার চান্স ফিফটি-ফিফটি। নাতাশা বলে, “আমি জানি, তুমি সুস্থ হবে।

হিল্লোল হেসে বলে, “তুমি কিভাবে জানো?” নাতাশা বলে, “এই কয়দিন আমি তোমার অনেক অত্যাচার সহ্য করেছি, এবার তোমার পানা। তুমি সারা জীবন আমার অত্যাচার সহ্য করবে।

হিল্লোল জিজ্ঞেস করে, “কেন? নাতাশা বলে, “আমি তোমাকে ভালোবাসি, হিল্লোলের মুখে হাসি ফুটে ওঠে এবং সে বলে, “তাহলে সুস্থ হয়ে উঠতেই হবে, যাতে তোমার অত্যাচার সহ্য করতে পারি।