আরটিভিতে ঈদের ৭ম দিনে তারিক মুহাম্মদ হাসানের চিত্রনাট্য ও পরিচালনায় ঈদের ৭ম দিনে একক নাটক “অফিস পলিটিক্স” অভিনয়ে: সামিরা খান মাহী, শাশ্বত দত্ত প্রমুখ। নাটকটি প্রচারিত হবে রাত সাড়ে ৮ টায়।

গল্প সংক্ষেপ ঃ তপু ও মিরা স্বামী স্ত্রী। দুজনে একই অফিসে চাকরী করে। মিরা জুনিয়র এক্সিকিউটিভ হিসেবে জয়েন করেছিলো। আর তপু ছিলো সিনিয়র এক্সিকিউটিভ। তপু চাকরীরত অবস্থায় মিরা জয়েন করেছিলো। সেই হিসেবে তপু অনেক এগিয়ে থাকার কথা। কিন্তু চাকরীতে জয়েন করার পরে গত চার বছরে তপুর কোন প্রমোশন না হলেও গত তিন বছরে মিরা চাকরীতে জয়েন করার পর থেকে তিনটি প্রমোশন হয়ে গেছে এবং এখন মিরা তপুর সিনিয়র পোষ্টে জব করছে।

বিষয়টা তপুর জন্য বেশ বিব্রতকর। এ নিয়ে অফিসের কলীগরা বেশ কথা শোনায় তপুকে। তপু যতোই এই বিষয়টা এড়িয়ে থাকতে চায়, তার কলীগরা ততোই উষ্কে দেয় তপুকে। অফিসের এমডি শিহাব চৌধুরী তপু ও মিরা দুজনকেই বেশ পছন্দ করেন। কিন্তু কোন এক অজানা কারনে তিনি তপুর প্রমোশনটা আটকে রাখলেও প্রতি বছর মিরার প্রমোশন দিয়ে যাচ্ছেন। এছাড়া অফিসের বিভিনড়ব ট্যুরে তিনি মিরাকে সাথে করে নিয়ে যান।

বিভিনড়ব বড় বড় মিটিং এ তিনি মিরাকে সাথে রাখেন। কারনে অকারনে তিনি মিরাকে দামী দামী গিফট দেন। এ নিয়ে তপু বেশ অস্বস্থিতে থাকে। সে মিরা ও বসকে নিয়ে নানা রকম সন্দেহ করতে থাকে। এ নিয়ে শুরু হয় ওদের দাম্পত্ব কলোহ। এক সময় চাকরী ছেড়ে দেওয়ার সিন্ধান্ত নেয় মিরা। কারন সে তপুকে বেশি ভালোবাসে।

কিন্তু ঘটনাμমে তপু তার ভুল গুলো বুঝতে পারে এবং জানতে পারে যে মিরার সাথে অফিসের বস এর কোন অবৈধ সম্পর্ক নেই। বরং বস শিহাব চৌধুরী মিরার ট্যালেন্টকে বেশি মূল্যায়ন করেছেন। অপর দিকে তপুর তার নিজের ভুল গুলো বুঝতে পারে। তার নিজের অবহেলার কারনেই এতো দিন তার প্রমোশন হয়নি। সে শিহাব বস ও মিরাকে স্যরি বলে। তপু মিরাকে রিকোয়েস্ট করে চাকরীটা না ছাড়তে। দুজনের ভুল বোঝাবুঝির অবসান হয় এবং দুজনের সংসারে সুখ ফিরে আসে।