সমাজকল্যান মন্ত্রী ডা.এজেডএম জাহিদ হোসেন বলেছেন,কৃষককে স্বাবলম্বী করা,অর্থনৈতিকভাবে স্বচ্ছল করা কৃষিকার্ডের প্রধান লক্ষ্য। আগামী ১৪ই এপ্রিল থেকে সকল কৃষকদের মাঝে কৃষি কার্ড বিতরণ কর্মসূচি শুরু হবে।
এটাও ফ্যামিলি কার্ডের মত আস্তে আস্তে প্রতিটা উপজেলায় ছড়িয়ে দেওয়া হবে। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের আয়োজনে শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৪ টায় কৃষি অফিস চত্বরে কৃষকদের মাঝে বীজ ও সার বিতরন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন,পাট একসময় আমাদের গর্ব ছিল কিন্ত সেই পাট কোনোভাবেই হোক অবহেলা বা আমাদের সঠিক সিদ্ধান্ত না থাকার কারণে পাট চাষ দুর্বল হয়েছে। কাজেই আমরা পাটের যে হারানো গৌরব সেটা ফেরত আনতে চাই। সেজন্য কৃষকদের আরও বেশি উৎসাহিত করছি পাট চাষে।
পাট যত বেশি উৎপাদিত হবে সেটা আমাদের দেশের জিডিপিতে ও পরিবেশে একটা মারাত্মক পজিটিভ ভূমিকা রাখবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। ৮শ জন কৃষককে ৫ কেজি করে আউশ ধানের বীজ, ১০ কেজি করে ডিএপি ও ১০ কেজি করে এমওপি সার ও ২০জন কৃষককে ১ কেজি করে পাট বীজ ও ৫ কেজি করে এমওপি ও ৫ কেজি করে ডিএপি সার বিতরন করা হয়। এসময় সেখানে উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও বিএনপি নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।