রংপুর থেকে সৈয়দপুর-নীলফামারী-জলঢাকা বাস চলাচল ৩য় দিনের মতো বন্ধ রয়েছে। ফলে এসব পথে চলাচলকারী যাত্রীদের ভরসার স্থল হয়ে উঠেছে বিআরটিসি বাস ও ইজিবাইক। এতে করে বেশি অর্থ ও সময় নষ্ট হচ্ছে যাত্রীদের।
রংপুর বাস মিনিবাস মালিক সমিতির আওতাভুক্ত সব বাস চলাচল অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছে নীলফামারী জেলা বাস মিনিবাস শ্রমিক ইউনিয়ন।
জানা যায়, নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার মাগুড়া শ্রমিক ইউনিয়ন উপ-কমিটির দপ্তর সম্পাদক সফিকুল ইসলামের সঙ্গে লেনদেন সংক্রান্ত বিরোধের জেরে রংপুর বাস মিনিবাস মালিক সমিতির কয়েকজন নেতাকর্মী তাকে মারধর করেন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করেন এবং পরে বিষয়টি জেলা শ্রমিক ইউনিয়নের নেতাদের জানানো হয়।
এ ঘটনার সঠিক বিচার না হওয়া পর্যন্ত রংপুর জেলা বাস মিনিবাস মালিক সমিতির অধীনে চলাচলকারী সব বাস বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয় নীলফামারী জেলা শ্রমিক ইউনিয়ন। ফলে গত ৩০ নভেম্বর সন্ধ্যা থেকেই রংপুর থেকে সৈয়দপুর, নীলফামারী ও জলঢাকা রুটে রংপুর বাস মিনিবাস মালিক সমিতির আওতাভুক্ত সকল বাস চলাচল বন্ধ। তবে ঢাকাগামী ও অন্য জেলা সমিতির বাস চলাচল স্বাভাবিক আছে।
নীলফামারী জেলা বাস মিনিবাস শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী বলেন, আমাদের ন্যায্য পাওনা না দিয়ে একজন শ্রমিক নেতাকে মারধর করা দুঃখজনক।
সঠিক বিচার না হওয়া পর্যন্ত তাদের সমিতির রংপুর থেকে নীলফামারী বা নীলফামারী হয়ে অন্য জেলায় যাওয়া সব বাস চলাচল বন্ধ থাকবে।
শ্রমিক ইউনিয়ন সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম ও বলেন, যারা শ্রমিককে অন্যায় ভাবে মারধর করেছে,তাদের বিচার না হওয়া পর্যন্ত রংপুরে কোন বাস মিনিবাস নীলফামারী জেলায় চলাচল করতে দেয়া হবে না।