আসন্ন ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে কোরবানির পশুর চামড়ার দাম নির্ধারণ করেছে সরকার। এবছর গরুর প্রতি বর্গফুট লবণযুক্ত চামড়ার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৫৭ থেকে ৬২ টাকা, খাসির চামড়ার প্রতি বর্গফুট ২৫ থেকে ৩০ টাকা এবং বকরির চামড়ার দাম ২২ থেকে ২৫ টাকা।

কিন্তু ঈদ আসার আগেই বাজারগুলোতে সরকার নির্ধারিত চামড়ার মূল্য মানছেন না ব্যবসায়ীরা। আজ সোমবার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, গরুর চামড়া প্রতি পিস ২০০, ২৫০ ও ৩০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া ছাগল ও ভেড়ার চামড়ার দাম ৫০ টাকা এবং মহিষের চামড়া ৭০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

অভিযোগ রয়েছে, এক শ্রেণির মৌসুমি ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট করে বাজারে দামের ওপর প্রভাব বিস্তার করছে। এতে চামড়ার ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন সাধারণ মানুষ ও এতিমখানাসহ বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান। এদিকে, চামড়ার দাম আরও কমে গেলে পার্শ¦বর্তী দেশে পাচারের শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

বিগত বছরগুলোতে ন্যায্যমূল্য না পাওয়ায় মহেশপুরের শ্যামকুড়, সরবপুর ও যাদবপুর সীমান্ত দিয়ে চামড়া পাশ্ববর্তী দেশে পাচারের ঘটনা ঘটেছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। এ বছর যাতে চামড়ার সঠিক মূল্য নিশ্চিত করা যায় এবং চামড়া পাচার রোধ করা সম্ভব হয়, সে জন্য সরকারের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।