বিশ্বকাপের অফিশিয়াল ভলান্টিয়ার হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার সন্তান নন্দলাল দে ও সুমাইয়া আহমদ রিদি। দু’জনের মধ্যে একজন বসবাস করেন আমেরিকায় অন্যজন কানাডায়। ১১ জুন থেকে ১৯ জুলাই পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র, ও মেক্সিকোর যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিতব্য এই বিশ্বমঞ্চে তাঁরা গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করবেন। তাদের এ সাফল্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ মৌলভীবাজার জেলায় আনন্দের বন্যা বইচে। কুলাউড়ার নন্দলাল দে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক – নিউজার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অফসিয়াল ভলান্টিয়ার হিসেবে কাজ করবেন। আর সুমাইয়া রিদি কানাডায় টরন্টো স্টেডিয়ামে আয়োজক শুভেচ্ছা দূত হিসেবে কাজ করবেন।

আমেরিকা প্রবাসী নন্দলাল দে মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া উপজেলার পৃথিমপাশা ইউনিয়নের শালিকা গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ক্ষীরোদ রঞ্জন দে র পুত্র। নন্দলাল দে মোবাইল ফোনে জানান, ফিফার ক্লাব বিশ্বকাপে সেচ্ছাসেবী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি বলেন বিশ্বকাপের মত বিশাল ইভেন্টে কাজ করতে পেরে নিজেকে গৌরবান্বিত মনে করছি। দেশ ও নিজ এলাকাবাসীর কাছে আশির্বাদ কামনা করছি।

সুমাইয়া আহমদ রিদি কানাডার টরন্টোতে স্বপরিবারে বসবাস করছেন। তিনি বিশ্বকাপ ২০২৬-এর আয়োজক শহরের শুভেচ্ছাদূত হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। এ ছাড়াও যৌথ আয়োজক তিন দেশের মধ্যে তিনি কানাডার টরন্টো ভেন্যুতে অফিশিয়াল ভলান্টিয়ার হিসেবে কাজ করবেন। তিনি কুলাউড়া সরকারি কলেজের সাবেক ইংরেজি প্রভাষক শাহিন আহমদ ও সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক সহকারী শিক্ষিকা তাহমিনা আক্তার চৌধুরীর এর একমাত্র কন্যা।

সুমাইয়া রিদি মোবাইল ফোনে বলেন, দেশে থাকতে আমার খালা মৌলভীবাজার জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য, রাজনীতিবিদ ও সমাজকর্মী শিরীন চৌধুরী ও খালু কুলাউড়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান সজলের অনুপ্রেরনায় বেড়ে উঠেছি। রিদি টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নিউরোসায়েন্সে পড়াশোনা করছেন। রিদি আরো জানান, বিশ্ব কাপের মতো ইভেন্টে কাজ করা মানেই বাংলাদেশের মানচিত্রকে পরিপুষ্ট করা। সফল ভাবে যাতে বিশ্বকাপ ফুটবল আসরে ভলান্টিয়ার হিসেবে কাজ করতে পারি দেশবাসীর কাছে দোয়া চাই।