খুলনার অসংখ্য মানুষ আছেন, যারা বিএনপির সমর্থক নন, কিন্তু ব্যক্তিগতভাবে নজরুল ইসলাম মঞ্জুকে পছন্দ করেন এবং তার কাজের প্রশংসা করেন। মানুষের এই ভালোবাসার প্রতিদানও তিনি নিজের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে দেওয়ার চেষ্টা করছেন।
তিনি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন-কীভাবে খুলনাবাসীর দুর্ভোগ কমানো যায় এবং কীভাবে শহরটিকে আরও উন্নত ও বাসযোগ্য করে তোলা যায়, সেই লক্ষ্য নিয়েই যেন তার প্রতিটি পদক্ষেপ।
প্রতিদিনই তাকে সিটি এলাকার বিভিন্ন সড়ক, ফুটপাত ও ড্রেন পরিদর্শন করতে দেখা যায়, কোথাও কোনো সমস্যা হচ্ছে কি না তা খতিয়ে দেখতে। আমার মনে হয়, খুলনাবাসী এর আগে এতটা কর্মচঞ্চল ও মাঠপর্যায়ে সক্রিয় নেতাকে খুব কমই পেয়েছে।
খুলনা ও খুলনাবাসীর যেকোনো সমস্যা, দুর্যোগ কিংবা সংকটে তিনি সবার আগে ছুটে যাওয়ার চেষ্টা করেন। রাজনৈতিক ক্ষেত্রেও তিনি পরিপক্বতার পরিচয় দিয়েছেন।
নির্বাচনে পরাজয়ের পর যেখানে অনেকেই ফলাফল নিয়ে বিতর্ক তৈরি করছিলেন বা সহজে মেনে নিতে চাননি, সেখানে তিনি হাসিমুখে পরাজয় মেনে নিয়েছিলেন। এই আচরণ তার প্রতি সাধারণ মানুষের শ্রদ্ধা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
বর্তমানে তার কর্মকাণ্ড যেন প্রমাণ করছে যে, দক্ষতা, অভিজ্ঞতা এবং জনসম্পৃক্ততার দিক থেকে তিনি খুলনার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নেতা।
খুলনাবাসীর বিনোদনের কথা বিবেচনা করে শহরের কয়েকটি স্থানে এলইডি স্ক্রিনে বিশ্বকাপ ফুটবল ম্যাচ দেখার ব্যবস্থা করেছেন। যেখানে অনেক জায়গায় বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের যুক্তিতে বড় পর্দায় খেলা দেখানো বন্ধ করে দিচ্ছে অনেক প্রশাসক!!
তবে তার সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ বা সীমাবদ্ধতা এখনো রয়ে গেছে শহরের ফুটপাতগুলো দখলমুক্ত করতে না পারা। কিছুসংখ্যক ব্যবসায়ীর কারণে প্রতিদিন লাখো মানুষকে বাজার, ঘাট ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় চলাচলের সময় ভো’গা’ন্তি’র শি’কা’র হতে হয়। আশা করা যায়, অদূর ভবিষ্যতে তিনি এই সমস্যারও কার্যকর সমাধান করতে সক্ষম হবেন।
পাশাপাশি, সড়কের দুই পাশে বা ডিভাইডারে পরিকল্পিতভাবে গাছ লাগিয়ে এবং পরিবেশবান্ধব নগরায়নের উদ্যোগ গ্রহণের মাধ্যমে খুলনাকে একটি সবুজ, পরিচ্ছন্ন ও আধুনিক নগরীতে পরিণত করার স্বপ্নও বাস্তবে রূপ নেবে।