​সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলায় ৩২ বছর বয়সী এক বুদ্ধি ও শারীরিক প্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে ১১ জনের নাম উল্লেখ করে কামারখন্দ থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। শনিবার দুপুরে মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কামারখন্দ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাশমত আলী।

জানাগেছে,গত মঙ্গলবার দুপুরে তেঘরি গ্রামের স্থানীয় কবরস্থানে ওই প্রতিবন্ধী নারী বসে ছিলেন। এই সুযোগে একই গ্রামের মৃত বারিক সেখের ছেলে আলম (৫২) তাকে টাকার লোভ দেখিয়ে কবরস্থানের ঝোপঝাড়ে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে।

মেয়েকে না পেয়ে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে ভুক্তভোগীর মা কবরস্থানের ঝোপঝাড়ের কাছ থেকে অভিযুক্ত আলমকে বেরিয়ে আসতে দেখেন। মেয়ের সন্ধান জানতে চাইলে আলম তাকে গালিগালাজ করে চলে যায়। পরবর্তীতে ঝোপঝাড়ের ভেতর ভুক্তভোগীকে বিবস্ত্র অবস্থায় উদ্ধার করা হয় এবং সে ধর্ষণের বিষয়টি তার মাকে জানায়।

​ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত আলম ও তার সহযোগীরা বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসা করার জন্য ভুক্তভোগীর পরিবারকে চাপ দিয়ে আসছিল।

​এর জেরে গত বৃহস্পতিবার রাস্তায় ভুক্তভোগী নারীর ভাইয়ের ওপর দেশীয় ধারালো অস্ত্র নিয়ে অতর্কিত হামলা চালায় অভিযুক্তরা। হামলায় তার মাথা, পিঠ ও পায়ে গুরুতর জখম হয়। তাকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে তার শ্যালককেও ধারালো অস্ত্র দিয়ে মাথায় আঘাত করে গুরুতর আহত করা হয়। বর্তমানে তারা দুজনই চিকিৎসাধীন বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রয়েছেন।

কামারখন্দ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসমত আলী জানান, প্রতিবন্ধী নারী ধর্ষণের ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত আলমসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।