কমিশন বাড়ানোর দাবি না মানলে ২৩ আগস্ট থেকে সারা দেশের সব সিএনজি ফিলিং স্টেশন অনির্দিষ্টকাল বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছে মালিক সমিতি।
সোমবার (২৭ জুলাই) সিএনজি ফিলিং স্টেশন মালিক সমিতি এ ঘোষণা দিয়েছে।
তবে চলমান গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতি বিবেচনায় ৩০ জুলাই সিএনজি ফিলিং স্টেশন প্রতীকী বন্ধের কর্মসূচি প্রত্যাহার করার কথা জানিয়েছে মালিক সমিতি।
মালিক সমিতি জানিয়েছে, কোনো সিএনজি ফিলিং স্টেশনে একেবারেই গ্যাসের চাপ নেই, আবার কোথাও ১/২ পিএসআই চাপ; এতে জনভোগান্তি চরমে ঠেকেছে। এ পরিস্থিতি আরও সপ্তাহখানেক থাকতে পারে।
এর আগে মঙ্গলবার (২১ জুলাই) বাংলাদেশ সিএনজি ফিলিং স্টেশন অ্যান্ড কনভার্শন ওয়ার্কশপ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন এক সংবাদ সম্মেলনে সিএনজি বিক্রিতে কমিশন বৃদ্ধি, স্বয়ংক্রিয় কমিশন সমন্বয়সহ চার দফা দাবি উত্থাপন করেছিল।
এসময় নেতারা বলেন, ২০১৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে প্রতি ঘনমিটার সিএনজি বিক্রিতে কমিশন ৮ টাকায় স্থির রয়েছে। অথচ গত প্রায় ১১ বছরে বিদ্যুৎ ও গ্যাসের দাম একাধিকবার বেড়েছে। একই সঙ্গে মূল্যস্ফীতি, শ্রমিকের মজুরি, ব্যাংক গ্যারান্টি কমিশন, ঋণের সুদ, ডলারের বিনিময় হার এবং স্টেশন পরিচালনার অন্যান্য ব্যয় কয়েক গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে অধিকাংশ স্টেশন লোকসানে পরিচালিত হচ্ছে।
সংগঠনটির চার দফা দাবির মধ্যে রয়েছে— প্রতি ঘনমিটার সিএনজি বিক্রিতে কমিশন ৮ টাকা থেকে বাড়িয়ে অন্তত ১৩ টাকা ৯৬ পয়সা নির্ধারণ, ভবিষ্যতে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি পেলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কমিশন সমন্বয়ের ব্যবস্থা চালু করা, গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির কারণে পুরোনো গ্রাহকদের কাছ থেকে অতিরিক্ত জামানত নেয়ার প্রথা বাতিল এবং সড়ক ও জনপথ বিভাগের ভূমি ইজারাসহ বিভিন্ন সরকারি সংস্থার লাইসেন্স ও নবায়ন ফি যৌক্তিক পর্যায়ে নামিয়ে আনা।