খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু আজ শনিবার ০৮ আগস্ট বেলা ১১ টায় নগরীর রায়ের মহল এলাকায় ফিতা কেটে গুরুত্বপূর্ণ এ ড্রেন নির্মাণ কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

উদ্বোধনকালে কেসিসি প্রশাসক বলেন, নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসন করা সিটি কর্পোরেশনের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। চলতি বছরে দুইবার অতি বৃষ্টিতে নেভী স্কুলের সম্মুখের এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। ড্রেনটি নির্মাণ করা হলে এ এলাকাসহ সংলগ্ন পাঁচটি ওয়ার্ড এলাকার পানি দ্রুত অপসারণ হবে।

দৌলতপুরের জলাবদ্ধতা নিরসনেও আমরা কাজ শুরু করেছি। খুদে খালের সাথে সকল খাল সংযুক্ত উল্লেখ করে তিনি বলেন খুদে খালের সাথে ড্রেনগুলির সংযোগ স্থাপন হলে এ এলাকার মানুষ সুফল পাবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। এছাড়া তিনি নগর সংলগ্ন খালসমূহের নাব্যতা বৃদ্ধির ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।

খুলনা সিটি কর্পোরেশনের ‘জলাবদ্ধতা দূরীকরণে ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় ১৬ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। আগামী বছরের জুন মাসে গুরুত্বপূর্ণ এ ড্রেনের নির্মাণ কাজ শেষ করা হবে।

ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স শরীফ এন্ড সন্দ এবং এমটি (জয়েন্ট ভেঞ্চার)-এর প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে নগরীর পাঁচটি ওয়ার্ডের বাসিন্দারা জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পাবে।

৫ হাজার ৫’শ মিটার দৈর্ঘ্য ও সড়কসহ ৩০ মিটার প্রস্থ এই ড্রেনের গভীরতা থাকবে স্থান ভেদে ৮ থেকে ১০ মিটার। খুদে খালের সঙ্গে সংযুক্ত এই ড্রেন না থাকায় অতি বৃষ্টিতে নগরীর খালিশপুর এলাকার ৫ টি ওয়ার্ডে জলবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছিল। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে এই এলাকার বাসিন্দাদের দুর্ভোগ লাঘব হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

কেসিসি’র প্রধান প্রকৌশলী মশিউজ্জামান খান, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা প্রকৌশলী মো: আনিসুর রহমান, নির্বাহী প্রকৌশলী বিদ্যুৎ কুমার দাস ও শেখ মো: মাদুস করিম, কঞ্জারভেন্সী অফিসার মো: অহিদুজ্জামান খান সহ ওয়ার্ডের মতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

পরে কেসিসি প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া সংক্রমণ রোধে নগরজুড়ে চলমান পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। শনিবার সকাল থেকে তিনি নগরীর রায়েরমহল ও বাস্তহারা কলোনি ও আশপাশ এলাকার পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।

কেসিসি’র প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা প্রকৌশলী মো: আনিসুর রহমান, কঞ্জারভেন্সী অফিসার মো: অহিদুজ্জামান খান সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।