দিনাজপুর জেলার বিরামপুর পৌরশহরের রিয়াদ ইকরা ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসা ও স্কুলে ৬ শিশু শিক্ষার্থীকে বেধড়ক পিটানোর অভিযোগ উঠেছে। প্রতিষ্ঠানের পরিচালক মেহেদী হাসান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন।

জানা যায়, বিরামপুর পৌর শহরের হার্ডওয়ার ব্যবসায়ী মেহেদী হাসান ২০২২ইং সালের নভেম্বর মাসে শহরের তুলাপট্টি এলাকায় একটি তিনতলা বাড়ি ভাড়া নিয়ে রিয়াদ ইকরা ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসা ও স্কুল নামে একটি প্রতিষ্ঠান খুলে বসেন। সেখানে মাদ্রাসার এবতেদায়ী শাখা ও স্কুলে প্লে থেকে ১০ শ্রেণি পর্যন্ত পড়ানোর কথা থাকলেও আন্তর্জাতিক মানের পড়াশুনা হয় কিনা তা নিয়ে রয়েছে নানা গুঞ্জন।

ঐ প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানটি বিরামপুর (২) সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এবং সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয় ও পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ২০০ গজের মধ্যে রয়েছে। ঐ প্রতিষ্ঠানে অনেক শিক্ষাথীকে আবাসিকে রেখে পড়ানো হয়। গত ৮ আগষ্ট রাতে মাদ্রাসা শাখার শিক্ষক শাকিল আহমেদ ৬ শিশু শিক্ষার্থীকে বেধড়ক লাঠিপেটা করেন।

মারপিটে আহত ৬ শিশু চিৎকারে অন্য শিশুরা ভয়ে তটস্থ হয়ে পড়ে। তাদের মধ্যে গুরুত্বর আহত আব্দুর রহমান (১২) নামের ১৬ পারা কোরানের হাফেজকে অভিভাবকরা বিরামপুর হাসপাতালে ভর্তি করান। আব্দুর রহমান(১২) উপজেলার কাটলা কাজীপাড়া গ্রামের সৌদি প্রবাসী মশিউর রহমানের ছেলে।

রিয়াদ ইকরা ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসা ও স্কুলের পরিচালক মেহেদী হাসান বলেন, শিক্ষক শাকিল আহমেদ পড়ার সময় ঘুমানোর কারণে ৬ শিশু শিক্ষার্থীকে পিটিয়েছেন ঐ শিক্ষক। তবে আব্দুর রমহানকে বেশি পিটিয়েছেন।

বিরামপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একাডেমিক সুপার ভাইজার আব্দুস সালাম বলেন, আমাদের দিক থেকে ঐ প্রতিষ্ঠানে পাঠদানের কোন অনুমতি নেই।