সাজেদা ফাউন্ডেশনের মাঠ কর্মকর্তা চঞ্চল এর মাধ্যমে ২ লাখ টাকা লোন নেয় চৌড়হাস কুষ্টিয়া শাখা থেকে মোঃ হাবিবুর রহমান, সদস্য নং-১০৫৬। সে বৈধতার সাথে ২০২৫ সাল থেকে কম্বোডিয়ায় কাজ করছে।প্রতিমাসে মাসের শেষে ২০ হাজার টাকা কিস্তি পরিশোধ করলেও যুদ্ধের কারনে ১ মাসের কিস্তি দিতে পারে নাই।
হঠাৎ করে মে ২০২৬ইং মাসে এলাকা ব্যাবস্হাপক বাপি দে +880 1731-521951 গ্রাহকের +৮৫৫৯৬৫৭৫০৭৫০ হোয়াটসঅ্যাপে ফোন করে পরিচয় দিয়ে বলেন, আপনি কম্বোডিয়ায় আছেন, আজ মিটিংয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে বৈধ প্রবাসীরা ৮ লাখ টাকা ৭% সুদে লোন পাবে। আপনি কিস্তির টাকা একবারে পরিশোধ করলেই আপনাকে ৩ দিনের মধ্যে আমি ৮ লাখ টাকার লোনের চেক দিব।
আপনি আপনার মার্কেট এর ২ তালার কাজ শেষ করতে পারবেন।
এভাবেই গ্রাহক কে ফোনে এলাকা ব্যবস্হাপক বাপি দে ৩ বার ও ফিল্ড অফিসার মাহমুদা খাতুন সুন্দর করে বুঝিয়ে বলে আমরা মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে কিস্তির টাকা আদায় করছি না ভাই। আপনি ভালো গ্রাহক তাই যে কোনো ভাবে টাকা ম্যানেজ করে জমা দিলেই আপনার ফাইল রেডি করে ১/২ দিন পরেই আপনার ২ বছর মেয়াদি ৮ লাখ টাকা দিতে পারবো। মাসিক কিস্তি ৩৫ হাজার টাকা মত প্রতিমাসে জমা দিয়ে পরিশোধ করবেন।
পরে পরিবারের সাথে আলোচনা করে ও অফিসারের কথাই বিশ্বাস করে এলাকা ব্যবস্হাপক বাপি দে ও ফিল্ড অফিসার মাহমুদা খাতুন কথা মত, গত ৫ জুলাই ২০২৬ইং রবিবার গ্রাহকের স্ত্রী হাসিনা তার ব্যবহারিক গহনা ভাদালিয়া স্বর্ণের দোকানে বন্ধক রেখে ও গ্রাহক বিদেশ থেকে পাঠানো টাকা একসাথে করে প্রায় ১ লক্ষ টাকা সাজেদা ফাউন্ডেশনের কুষ্টিয়ার চৌড়হাস অফিসে অফিসারদের হাতে জমা দেন । তারপর অফিস থেকে জানান, ৬ জুলাই ২০২৬ইং সকালে ফোন দিলে অফিসে চলে আসবেন এবং চেক নিয়ে ব্যাংকে জমা করলেই পরের দিন টাকা উঠাতে পারবেন।
কিন্তু অতি দুঃখের বিষয় তার পর গ্রাহক ও তার স্রীর অনেক অনেক বার ফোনের পর একবার ফিল্ড অফিসার মাহমুদা খাতুন ফোন রিসিভ করেই শুধু আশ্বাস পাবনা আর এম স্যার এর টেবিলে আপনার ফাইল, যে কোন সময় ওকে। পরে ফোন ও ম্যাসেজ করলেও কোন উত্তর নাই। হঠাৎ রাতে এলাকা ব্যবস্হাপক গ্রাহকের ফোনে রিপ্লাই দিলেন,আমি পাবনা আর এম অফিসে সারাদিন মিটিয়ে ছিলাম। আপনার ফাইল আর এম স্যারের কাছে দিয়েছি, কাল অথবা পরের দিন ওকে।
আবার গ্রাহকের অপেক্ষা ও তার পরিবার এর মানসিক যন্ত্রণা বেড়েই চলেছে। অবশেষে ২২ জুলাই ২০২৬ইং সাজেদা ফাউন্ডেশনের এনজিও কুষ্টিয়ার সদস্য ১০৫৬ মোঃ হাবিবুর রহমানের ফোন রিসিভ করে এলাকা ব্যাবস্হাপক বাপি দে জানান, আমাকে ঢাকায় বদলি করেছে। আমার জায়গায় কামরুল ইসলাম নামের একজন পদন্নোতি পেয়ে আসছেন। ওনাকে আমি সুপারিশ করে দিব আপনি আগষ্টের প্রথম সপ্তাহে ৫ লাখ টাকা পেয়ে যাবেন।
তিনি আরও বলেন, আর এম স্যারকে সব কিছু জানিয়েছিলাম। তার আশ্বাসে আপনাকে অগ্রিম ৩ মাস সহ বাকী ১ মাসের টাকা পরিশোধ করতে বার ফোন করে বলেছিলাম।সেই লজ্জায় আমি আপনার ফোন কল রিসিভ ও ম্যাসেজের উত্তর করিনি। পরে বলে আপনি চাইলে আমার ৫ লক্ষ টাকা লোন দেওয়ার ক্ষমতা আছে। পরে আমি বলি আপনি আমাকে ও আমার পরিবারকে এতদিন শাস্তি না দিয়ে বললেই, আমি খুশি হয়ে নিয়ে নিতাম।
নতুন এলাকা ব্যাবস্হাপকের সাথে কথা বলার জন্য মোবাইল ফোন নাম্বার চাইলে বাপি দে না থাকার কথা বলেন।পরে মাঠ কর্মকর্তা মাহমুদা খাতুনের কাছে চাইলে বিভিন্ন ভাবে বলেন,স্যারের অনুমতি নিতে হবে, স্যার ২/৫ তারিখ আসলে আমি বুঝিয়ে বলবো,লোন দেওয়ার জন্য। এভাবেই মিথ্যা আশ্বাস আর প্রতারণার মাধ্যমে একজন গ্রাহক সহ তার পুরো পরিবারে অশান্তির আগুন জ্বালিয়ে দিয়েছে।
আমি অনেক বার আমার প্রবাসী স্বামীর কথা মত অসুস্থ শাশুড়ী মাকে সাথে করে ও একা অফিসে যেয়ে সমাধান পায়নি। উল্লেখ্য সদস্যের বইয়ের পাওনাদি বিদেশ থেকে এসে স্ব শরীরে নেওয়ার কথা বলা হয়েছিল অফিস থেকে। পরে সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে একটা লিখিত দিয়ে স্ত্রী কে পাওনা টাকা দেয়।
১২ আগষ্ট ২০২৬ ইং রাগে ক্ষোভে অবশেষে প্রবাসী স্বামী মোঃ হাবিবুর রহমান সোমবার ফিল্ড অফিসার মাহমুদা খাতুনের +880 1717-008978 হোয়াটসঅ্যাপ এর মাধ্যমে অফিসে দরখাস্ত দিয়ে সদস্য বাতিল করে সকল পাওনাদি হিসাব করে রেখে সদস্য বইয়ের বাকি টাকা সহ জমির কাগজ পত্র স্ত্রী হাসিনা কে দিতে বলে।এলাকা ব্যাবস্হাপক কামরুল ইসলাম ও ফিল্ড অফিসার মাহমুদা খাতুন ১৩ আগষ্ট মঙ্গলবার দুপুরের হিসাব শেষে ১২০২০ টাকা হাসিনাকে ফেরত দেই।
পরিশেষে এরকম মিথ্যা আশ্বাস আর প্রতারণার ফাঁদে পড়ে নিজে ও পরিবারের সদস্যদের অশান্তির শেষ কোথায়। এরকম অভিযোগ আমার কাছে অনেকে করেছে। তারা বলেন, সুদ দেয়া এবং নেওয়া হারাম।তাই লজ্জায় অনেক কিছু বলার থাকলেও বলতে পারি না। তবে সকলের একটাই দাবি, যারা অপরাধ করে তাদের কঠিন শাস্তি হওয়া জরুরী। তা না হলে এরকম অপরাধ দিন দিন শুধু বাড়তেই থাকবে।