নীলফামারীর ডিমলায় রাসÍার সরকারি গাছ কেটে নেওয়ার খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে প্রকাশ্যে জীবননাশের হুমকির শিকার হয়েছেন স্থানীয় সাংবাদিকরা। এ ঘটনায় সাংবাদিকদের মধ্যে চরম নিরাপত্তাহীনতা ও ভয়ের পরিবেশ বিরাজ করছে।
জানা গেছে, ডিমলা উপজেলার ঝুনাগাছ চাপানি ইউনিয়নের উত্তর সোনাখুলি গ্রামের মিলনপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যাতায়াতের রাস্তার ধারে থাকা ১০টি ইউক্যালিপটাস গাছ গত এক সপ্তাহ আগে কেটে ফেলা হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এই গাছ কাটার মূল হোতা হিসেবে এলাকার মোক্তার আলীর ছেলে সাদিকুল ইসলাম (২৭) এবং তার সহযোগী চক্রকে চিহ্নিত করা হয়েছে। এ চক্রের নেতৃত্ব দেন ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য নুর ইসলাম (৫০) ও ঝুনাগাছ চাপানি ইউনিয়নের মমিনুর রহমান সাদ্দাম (৩০)।
সোমবার (১১ আগস্ট) বিকালে কাটা গাছগুলো চাপানির হাট বাজারের একটি স’মিলে নেওয়ার সময় কয়েকজন সাংবাদিক খবর পেয়ে সেখানে গিয়ে তথ্য সংগ্রহ ও ছবি তুলতে চান। এ সময় ইউপি সদস্য নুর ইসলাম ও মমিনুর রহমান সাদ্দাম সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে চাপানির হাটের মন্দিরের সামনে সাংবাদিক আমিনুর রহমান দুলাল, ক্রাইম সিন নিউজের ডিমলা প্রতিনিধি আলাল হোসেনসহ উপস্থিত অন্য সাংবাদিকদের প্রকাশ্যে ডেকে নিয়ে জীবননাশের হুমকি দেন।
হুমকির সময় যুবদল নেতা মমিনুর রহমান সাদ্দাম বলেন, “ঝুনাগাছ চাপানি ইউনিয়নে কোনো ক্রাইম নিউজ করতে হলে আমার অনুমতি নিতে হবে, অন্যথায় সাংবাদিকদের মেরে ফেলা হবে।”
এলাকাবাসীর অভিযোগ, এরা দীর্ঘ দিন ধরে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছেন। কেউ প্রতিবাদ করলে তাকে শারীরিক নির্যাতনসহ নানা হয়রানির শিকার হতে হয়।
ঝুনাগাছ চাপানি ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা গোলাম রাব্বানী সরকারি গাছ কাটার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নির্দেশে কাটা গাছগুলো উদ্ধার করে ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে জমা রাখা হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ইমরানুজ্জামান বলেন, “সরকারি গাছগুলো উদ্ধার করা হয়েছে এবং এই ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রস্থতি।