মাগুরা জেলা খুলনা বিভাগের প্রবেশদ্বার এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হওয়ায় মাগুরা ২৫০ শয্যার হাসপাতালটি মানুষের চিকিৎসা ক্ষেত্রে যথেষ্ঠ গুরুত্ব বহন করে। আরও এ কারনে মাগুরা সদর,শালিখা,শ্রীপুর,মহম্মদপুর উপজেলা ছাড়াও ঝিনাইদহ জেলা সদর, শৈলকূপা উপজেলা, রাজবাড়ী জেলার পাংশা,কালুখালী,বালিয়াকান্দী, ফরিদপুর জেলার মধুখালী উপজেলার আংশিক মানুষের চিকিৎসা সেবার নিকটতম স্থান।

বর্তমানে স্থানীয় রোগী পাশাপাশি বহিরাগত রোগীদের সংখ্যা কয়েকগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে হাসপাতালে।ধারণ ক্ষমতার ৩ গুণ বেশি রোগী থাকলেও পর্যাপ্ত ডাক্তার,স্টাফ, টেকনিশিয়ান নেই। ৭৯ টি পদের বিপরীতে ২৩ জন ডাক্তার কর্মরত রয়েছেন। প্রায় ৩০% ডাক্তার নিয়ে এই হাসপাতাল পরিচালিত হচ্ছে। এই ৩০% ডাক্তারই মেডিসিন ওয়ার্ডে ৩ গুণ, শিশু ওয়ার্ডে ৬ গুণ বেশি রোগীর সেবা দিচ্ছে। এটাই বর্তমান বাস্তব চিত্র।

যে কারণে হাসপাতাল হীমসিম খাচ্ছে। সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সাধারণ রোগীরা। হাসপাতালের ফ্লোরে,সিড়িতে,টয়লেটের সামনে, একই বেডে ২ জন রোগী থাকতে বাধ্য হচ্ছে। ৩ দিনের ঔষুধ,ইনজেকশন ১ দিনে শেষ হচ্ছে।

ডাক্তার,নার্স,স্টাফরাও মানুষ।,তাদের ও পরিবার আছে,শারীরিক মানসিক বিশ্রাম আছে, নিজের সুস্থতা,সেবার ধারণ ক্ষমতা আছে।

একজন রোগীর সাথে ৩-১০ জন স্বজন এসে ভীড় করে এ পরিস্থিতি মোকাবিলা সম্ভব হয়ে উঠে না।,আড্ডা-গল্পচক্র তৈরি করে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ সৃষ্টি, শব্দদূষণ,কোলাহল সৃষ্টি,খাবারের ময়লা,লিফলেটে অতিরিক্ত লোক উঠা,দলবদ্ধ হয়ে বসে চিকিৎসাসেবায় বিঘ্ন ঘটায়।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মেনে চলুন নির্দেশনা থাকলেও তার কাজে আসছেনা।। স্বাস্থ্যসেবার সমস্যা নিরসনে দ্রুত ডাক্তার,নার্স, স্টাফ নিয়োগের মাধ্যমে সমস্যা নিরসনের পদক্ষেপ নেওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন সচেতন সমাজ।