আজ ১ অক্টোবর, ৩৬তম আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস। এবারের প্রতিপাদ্য ‘দীর্ঘ জীবনের জন্য নতুন ভাবনা’। জাতিসংঘ ১৯৯০ সালের ১৪ ডিসেম্বর ১ অক্টোবরকে আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নেয়। এরপর ১৯৯১ সাল থেকে বিশ্বজুড়ে দিবসটি পালিত হয়ে আসছে।

দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের প্রবীণ নাগরিকদের শুভেচ্ছা জানিয়ে বাণী দিয়েছেন।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন সমাজসেবা অধিদপ্তর দিবসটি উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে র‌্যালি, আলোচনা সভা, জাতীয় পত্রিকায় বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ, মোবাইল অপারেটরদের মাধ্যমে প্রবীণদের মর্যাদা বিষয়ে ক্ষুদেবার্তা পাঠানো এবং গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার।

প্রবীণদের সুস্বাস্থ্য ও শান্তিময় জীবন কামনা করে দেওয়া বাণীতে রাষ্ট্রপতি বলেন, সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, সামাজিক ও জনহিতৈষী সংগঠন, বিত্তবান ব্যক্তি এবং প্রতিটি পরিবারকে প্রবীণদের কল্যাণে আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে। প্রবীণদের প্রতি ভালোবাসা, তাদের হাসিমুখ ও নিরাপদ বার্ধক্য নিশ্চিত করাকে তিনি সবার অঙ্গীকার হিসেবে উল্লেখ করেন।

দেশের প্রবীণ নাগরিকদের প্রতি শ্রদ্ধা ও শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, প্রবীণরা পরিবার ও সমাজের ভিত্তি। তাদের ত্যাগ, অভিজ্ঞতা ও প্রজ্ঞার ওপর দাঁড়িয়েই বর্তমান বাংলাদেশ গড়ে উঠেছে। তাই কল্যাণমূলক, ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক বাংলাদেশ গড়তে প্রবীণ জনগোষ্ঠীর প্রতি যত্নশীল দৃষ্টিভঙ্গি অপরিহার্য।

তিনি বলেন, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্র তিন স্তরেই প্রবীণদের প্রতি সম্মান, সহানুভূতি ও দায়িত্বশীলতার চর্চা অব্যাহত রাখা জরুরি। তাদের স্বাস্থ্যসেবা, সামাজিক নিরাপত্তা, আর্থিক স্থিতিশীলতা এবং সমাজে সক্রিয় অংশগ্রহণের সুযোগ নিশ্চিত করতে জীবনচক্রভিত্তিক সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা আরও সুসংহত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

দেশের সব জেলা ও উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়কে স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে সেবাগ্রহীতা ও অংশীজনদের নিয়ে যথাযথ মর্যাদায় দিবসটি পালনের নির্দেশনা দিয়েছে সমাজসেবা অধিদপ্তর।