সহায়-সম্বল সব শেষ করে এখন পথের ফকির এক অসহায় বাবা। চোখের সামনে নিভে যাচ্ছে দুই সন্তানের জীবনের প্রদীপ। টাকার অভাবে বন্ধ হতে চলেছে বড় ছেলের চোখের এবং ছোট ছেলের লিভার ক্যান্সারের চিকিৎসা। অসহায় এই বাবার আকুল আর্তনাদ—”আমার সন্তানদের বাঁচান, ওরা বাঁচতে চায়।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, এই অসহায় বাবার বড় ছেলে মোঃ তানভীর হোসাইন (১৪)। সে অষ্টম শ্রেণীতে পড়াশোনা করত। হঠাৎ বাম চোখের রেটিনা (পর্দা) ছিঁড়ে গিয়ে সে বর্তমানে দৃষ্টি প্রতিবন্ধী। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, দ্রুত উন্নত চিকিৎসা না করালে তানভীরের বাম চোখের দৃষ্টি চিরতরে হারিয়ে যেতে পারে।
এদিকে নিয়তির নিষ্ঠুর পরিহাসে প্রথম শ্রেণীতে পড়ুয়া ছোট ছেলে তামিম হোসাইন সিয়াম (৮) আক্রান্ত হয়েছে মরণব্যাধি লিভার ক্যান্সারে। প্রথমে লিভার টিউমার ধরা পড়লেও বর্তমানে তা ক্যান্সারে রূপ নিয়েছে। দিন দিন তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হচ্ছে।
একদিকে চোখের আলো হারানোর শঙ্কায় বড় ছেলে, অন্যদিকে মরণব্যাধির সাথে লড়াই করছে ছোট ছেলে। মধ্যবিত্ত বা নিম্নবিত্ত পরিবারের পক্ষে একই সাথে দুটি এমন বড় ও জটিল রোগের চিকিৎসার খরচ চালানো অসম্ভব। দুই সন্তানের কেমোথেরাপি, সার্জারি ও নিয়মিত দামি ওষুধ কিনতে গিয়ে এই বাবা তাঁর জমিজমা, সহায়-সম্বল ও সঞ্চয় যা ছিল সব বিক্রি করে দিয়েছেন। বর্তমানে তিনি সম্পূর্ণ নিঃস্ব এবং চিকিৎসার খরচ জোগাতে পুরোপুরি অপারগ।
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, সিয়ামের ক্যান্সার চিকিৎসা ও তানভীরের চোখের অপারেশন সময়মতো সম্পন্ন করতে পারলে তাদের সুস্থ করে তোলা সম্ভব। কিন্তু তার জন্য প্রয়োজন বিপুল পরিমাণ অর্থ, যা জোগাড় করা এই অসহায় বাবার পক্ষে কোনোভাবেই সম্ভব নয়।
এমতাবস্থায়, সন্তানদের জীবন বাঁচাতে দেশের সকল ধনাঢ্য ব্যক্তি, প্রবাসী ভাই-বোন এবং মানবিক সংস্থাগুলোর কাছে আর্থিক সাহায্যের আকুল আবেদন জানিয়েছেন এই নিঃস্ব বাবা। আপনার সামান্যতম সাহায্যই পারে দুটি নিষ্পাপ শিশুকে নতুন জীবন দিতে, ফিরিয়ে দিতে একটি পরিবারের মুখে হাসি।
সাহায্য পাঠাবার ঠিকানা ঃ
বাবা,
মোঃ আব্দুর রহমান
বাসার ঠিকানা, নারায়ণগঞ্জ জেলা, ফতুল্লা থানার সংলগ্ন, লালপুরের মধ্যে ফেরদৌস খানের ম্যাচ বাসা।
ব্যাংক হিসাব ঃ পূবালী ব্যাংক লিঃ একাউন্ড নাম্বার ঃ -2401101108513–
বিকাশ নাম্বার —–01773-853282—–নগদ নাম্বার—–01911-056710 —-