যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের ভোটগ্রহণ আজ। এবারের নির্বাচনে মার্কিন কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ সিনেটের ৩৫টি আসন ও নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদের ৪৩৫টি আসনের সবকটিতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন প্রার্থীরা। পাশাপাশি বেশ কয়েকটি অঙ্গরাজ্যে গভর্নর পদেও হচ্ছে নির্বাচন।
এবছর নিবন্ধিত ভোটার সংখ্যা ২১ কোটি। এরমধ্যে আগাম ভোট দিয়েছেন ৫ কোটির বেশি ভোটার। ২০২৭ সালের ৩ জানুয়ারি শপথ নেবে নতুন হাউস ও সিনেট। রয়টার্স জানিয়েছে এ খবর।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট চার বছর মেয়াদের ঠিক মাঝপথে অর্থাৎ দুই বছর ক্ষমতায় থাকার পর অনুষ্ঠিত হয় যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন। যথারীতি এবারও কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ সিনেটের ১০০টি আসনের এক-তৃতীয়াংশ তথা ৩৫টি এবং নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদের ৪৩৫টি আসনের সবকটিতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন প্রার্থীরা।
নিম্নকক্ষ, প্রতিনিধি পরিষদের মোট আসন সংখ্যা ৪৩৫টি। প্রতি দুই বছর পরপর এর সবকটি আসনে নির্বাচন হয়। প্রতিনিধি পরিষদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে প্রয়োজন ২১৮ আসন।
২০২৪ সালের নির্বাচনে রিপাবলিকানরা নিম্নকক্ষে ২২০-২১৫ ব্যবধানে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়। তবে কয়েকজন সদস্যের মৃত্যু, পদত্যাগ এবং একজনের দল পরিবর্তনের কারণে বর্তমানে প্রতিনিধি পরিষদে ২১৮ জন রিপাবলিকান, ২১৪ জন ডেমোক্র্যাট, একজন স্বতন্ত্র সদস্য এবং দুটি শূন্য আসন রয়েছে।
অর্থাৎ প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ নিতে ডেমোক্র্যাটদের ২০২৪ সালের নির্বাচনের ফলের তুলনায় অন্তত আরও ৩টি আসন বাড়াতে হবে। আর তাই কোনো আসন না হারানোটাই রিপাবলকিনদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।
১০০ আসনের সিনেটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে প্রয়োজন ৫১টি আসন। বর্তমানে ৫৩টি আসন নিয়ে একক সংখ্যাগরিষ্ঠ অবস্থানে রয়েছে রিপাবলিকানরা। সিনেটে বর্তমানে ডেমোক্র্যাটদের আসন সংখ্যা ৪৭। তাদের সমর্থনে রয়েছেন দুইজন স্বতন্ত্র সিনেটর।
সিনেটের ৩৫ আসনের মধ্যে ৬ বছরের মেয়াদ শেষে ভোট হচ্ছে ৩৩টিতে। এছাড়া মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর আসন খালি হওয়ায় ভোট হচ্ছে ফ্লোরিডা ও ওহাইওতেও। তাই সিনেটের নিয়ন্ত্রণ নিতে বিরোধী দলের আরও ৪টি আসন বাড়াতে হবে।
এছাড়া এ নির্বাচনে ৩৬টি অঙ্গরাজ্যে গভর্নর নির্বাচনের জন্যও ভোট দিবেন সবাই।