গত মাসে ভিয়ারেয়ালের বিপক্ষে ম্যাচে লাল কার্ড দেখার পর চার ম্যাচের নিষেধাজ্ঞায় পড়েন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। সেই নিষেধাজ্ঞার শেষ ম্যাচ হিসেবে গতকাল শনিবার রাতে ভালেন্সিয়ার বিপক্ষে মাঠে নামে রেয়াল মাদ্রিদ। ভিনিসিয়সুকে ছাড়াই এ ম্যাচে ভালেন্সিয়াকে ৩-০ গোলে হারিয়েছে জোসে মরিনিওর দল।
শুধু এ ম্যাচে নয়, ভিনিসিয়ুসকে ছাড়া ৪ ম্যাচেই জিতেছে রেয়াল মাদ্রিদ। সেভিয়াকে ৪-১, বার্সেলোনাকে ২-১, রেসিং সান্তাদারকে ৩-০ এবং গতকাল রাতে ভালেন্সিয়াকে ৩-০ ব্যবধানে হারিয়েছে লস ব্লাঙ্কোরা।
ওদিকে সাম্প্রতিক সময়ে ভিনিসিয়ুসের পারফরম্যান্স নিয়ে সমালোচনা কম হচ্ছিল না। বিষয়টি মাথায় রেখেছেন রেয়াল মাদ্রিদ কোচও। মরিনিও সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, ভিনিসিয়ুসের ফেরার দরজা খোলা থাকলেও একাদশে জায়গা নিশ্চিত নয়।
ভিনিসিয়ুস না থাকায় সুযোগটা দারুণভাবে কাজে লাগিয়েছেন ইয়ান দিওমান্দে। গতকালের আগ পর্যন্ত সর্বশেষ ৬ ম্যাচে ৪ গোল ও ৩ অ্যাসিস্ট করেছেন। স্বাভাবিকভাবেই শুরুর একাদশে জায়গা পাওয়ার লড়াইয়ে অনেকটা এগিয়ে গেছেন দিওমান্দে।
আর সে কারণেই রেয়াল মাদ্রিদ কোচ মরিনিও সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, নাম দেখে নয়, বরং দলের জন্য যাকে ভালো হয়, তাকেই একাদশে সুযোগ দেবেন তিনি। মরিনিওর ভাষায়, ‘আমার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো দল।
কোনো একজন খেলোয়াড়কে সুবিধা দিতে গিয়ে আমি কখনোই দলের ক্ষতি করতে চাইনি। ভিনিসিয়ুস যখন স্বাভাবিক ছন্দে ফিরবে এবং খেলার জন্য প্রস্তুত থাকবে, তখন আমি পরিস্থিতি অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেব।’মরিনিও যোগ করেন, ‘আমার দায়িত্ব হলো, দলের প্রতিটি খেলোয়াড়কে তাদের সেরা অবস্থায় রাখা। একজন খেলোয়াড়ের প্রকৃত সামর্থ্যের ওপর সব সময় বিশ্বাস রাখতে হবে। একজন খারাপ খেলোয়াড়কে যত চেষ্টাই করা হোক, সে খারাপই থাকবে।
অন্যদিকে, একজন ভালো খেলোয়াড় খারাপ সময়ের মধ্য দিয়ে গেলেও তার স্বাভাবিক ছন্দে ফেরার সুযোগ থাকে।’ভিনিসিয়ুস ফিরলেও যে সরাসরি একাদশে সুযোগ পাবেন না, সে ইঙ্গিতও দিয়েছেন মরিনিও, ‘সতীর্থরা ওকে দারুণভাবে সমর্থন করছে। আমরাও পূর্ণ বিশ্বাস নিয়ে তার পাশে আছি। কিন্তু যখন সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় আসবে, তখন সবার আগে দলকেই গুরুত্ব দিতে হবে।’