শসা ১০০ টাকা কেজি লেবুর হালি ৫০ টাকা

আব্দুস সবুর, তানোর প্রতিনিধি (রাজশাহী) ঃ
প্রকাশিত: বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:১৬ অপরাহ্ণ
শসা ১০০ টাকা কেজি লেবুর হালি ৫০ টাকা

রাজশাহীর তানোরে রোজার শুরুতেই আলু ছাড়া প্রতিটি সবজির দাম বাড়তি। আলু বাদে প্রতিটি সবজির দাম ৫০ টাকা কেজির ঊর্ধ্বে। রোজার শুরুতে এমন সবজির দামে হতাশ ক্রেতারা।

এছাড়াও অতিরিক্ত খাজনা আদায়ের কারনেও বেড়েছে সবজির দাম বলেও মনে করছেন ক্রেতা বিক্রেতারা। ফলে বাজার মনিটরিংয়ের জোর দাবি জানিয়েছেন ভোক্তারা। আবার আলুর দাম না থাকার কারনে চরম ভাবে লোকসানে পরতে হচ্ছে চাষীদের।

বুধবার পৌর এলাকার তালন্দ হাটে গিয়ে দেখা যায় যে সব সবজি এক সপ্তাহ আগে ৫০ টাকার নিচে বিক্রি হয়েছে। সে সব সবজি সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ৬০ টাকা থেকে ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। রোজার সময় চাহিদা বেড়ে চাই শসা, লেবুর। যেই শসা গত সপ্তাহে ৩০ টাকা থেকে ঊর্ধ্বে ৪০ টাকা কেজিতে বিক্রি হয়েছে। সেই শসা ১০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে । লেবুর হালি ছিল ২৫ টাকা থেকে ৩০ টাকায়, সেই লেবু বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা হালিতে।

হাটে কথা হয় বাবু নামের এক ক্রেতার সাথে তিনি জানান প্রতিটি সবজির দাম হঠাৎ করেই বেড়ে গেছে। দুই হালি লেবুর দাম ধরা হয়েছে ১০০ টাকা, এক কেজি শসা ১০০ টাকা, ছোট সাইজের এক হালি কলা ৩০ টাকা, বেগুন এক কেজি ৭০ টাকা, টমেটো ৬০ টাকা কেজি। অথচ গত সপ্তাহে এসব সবজি বিক্রি হয়েছে ৫০ টাকার নিচে।

বিক্রেতারা জানান, হঠাৎ করেই সবজির সরবরাহ কম। বিশেষ করে লেবু, শসা এবং কলার সরবরাহ নেই বললেই চলে। সব সবজি বাড়তি দামে কেনা হয়েছে। যার কারনে বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়াও খাজনা আদায়ের নামে এক প্রকার চলে চাঁদাবাজি। অতিরিক্ত খাজনা আদায়ের কারনে ৫/৭ টাকা করে কেজি প্রতি বাড়তি দাম। জমি থেকে হাটে আসা মাত্রই দ্বিগুণ দাম হয়ে যায়। কারন দফায় দফায় খাজনা দিতে হয়। একটি হাস বা মুরগী কিনলে রশিদ ছাড়াই ক্রেতাকে দিতে হয় ১০ টাকা এবং বিক্রেতাকে দিতে হয় ১০ টাকা করে। এভাবেই খাজনা আদায়ের নামে চলছে নিরব চাঁদাবাজি ।

ক্রেতারা জানান, গত রমজান মাসে সবজিসহ নিত্যপণ্যের দাম ছিল স্বাভাবিক পর্যায়ে। নাগালের মধ্যেই ছিল। কিন্তু নতুন সরকার আশার পরেই রোজার শুরুতেই সিন্ডিকেটের মাধ্যমে বেড়ে গেছে নিত্যপণ্যের দাম। এউপজেলার জনসাধারণের আয় হচ্ছে কৃষি ফসল উৎপাদন।

গত মৌসুমে আলুতে দরা খেয়ে অনেকে পথে বসে গেছে। নতুন সরকার যদি বাজার মনিটরিং জোরদার না করে তাহলে শুরুতেই ধাক্কা খেতে হবে। ফুঁসে উঠবে নিম্ম ও মধ্যবৃত্তরা। একারনে প্রথম কাজ হবে বাজার মনিটরিং জোরদার করে সিন্ডিকেট ভেঙে দিয়ে হাতের নাগালে নিত্যপণ্যের দাম রাখা বলে মনে করছেন ভোক্তারা।

Ads