পুলিশ সদস্যদের দায়িত্ব পালনে বিভিন্ন প্রতিকূলতা

আমিনুল আমিন ঃ
প্রকাশিত: সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৩৪ অপরাহ্ণ
পুলিশ সদস্যদের দায়িত্ব পালনে বিভিন্ন প্রতিকূলতা

বাংলাদেশ পুলিশ সদস্যদের আবাসন, খাদ্য এবং লজিস্টিক সংক্রান্ত সমস্যা গুলো দীর্ঘদিনের এবং বর্তমানেও তারা বিভিন্ন প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে দায়িত্ব পালন করছেন এবং অতিরিক্ত কর্মঘণ্টা ও ক্লান্তিতে পুলিশ সদস্যদের গড়ে প্রতিদিন ১২ থেকে ১৬ ঘণ্টা দায়িত্ব পালন করতে হয়। অনেক ক্ষেত্রে টানা ২৪ এবং ৪৮ ঘণ্টা ডিউটি করার নজিরও রয়েছে, যা তাদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর চরম প্রভাব ফেলে।

সাম্প্রতিক বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে আসা প্রধান সমস্যা গুলোর মধ্যে থাকা যেমন আবাসন ও থাকা-খাওয়ার সংকট সহ অত্যন্ত নাজুক আবাসন ব্যবস্থা অনেক থানার ব্যারাকে পুলিশ সদস্যদের থাকার পরিবেশ অত্যন্ত শোচনীয়।

সরেজমিনে দেখা গেছে, রাজধানীর অনেক অভিজাত এলাকার থানার ব্যারাকগুলোতেও জায়গার তীব্র সংকট রয়েছে, যেখানে কনস্টেবলদের মেঝেতে ঘুমাতে হয়। এবং ঢাকায় কর্মরত পুলিশ সদস্যদের মাত্র প্রায় ৯.৫ শতাংশ আবাসন সুবিধা পান, বাকি প্রায় ৯০.৫ শতাংশ সদস্য ও তাদের পরিবারকে ভাড়া বাসায় থাকতে হয়।

এবং অনেক থানায় খাবারের জন্য বরাদ্দ পর্যাপ্ত নয়। সদস্যদের নিজস্ব উদ্যোগে বা মেস সিস্টেমে খাবার ব্যবস্থা করতে হয়, আবার প্রায় সময় ডিউটিরত অবস্থায় থানায় ফিরে দুপুর বা রাতের খাবার খাওয়া সম্ভব না হওয়ায় নিজের পকেটের টাকা দিয়ে তা সেরে নিতে হয় যা তাদের আয়ের বড় একটি অংশ ব্যয় হয়ে যায়।

বাংলাদেশ পুলিশের বেতন কাঠামো দূর্বলতার কারণেই ঘুষ দুর্নীতির প্রবনতা অত্যন্ত বাস্তবসম্মত এবং এটি নিয়ে বর্তমানে বাংলাদেশে ব্যাপক আলোচনা ও বিতর্ক চলছে। পুলিশ সদস্যদের নিম্ন বেতন কাঠামো ও জীবনযাত্রার উচ্চ ব্যয়ের মধ্যে যে অসামঞ্জস্য রয়েছে, সেটিকে ঘুষ ও দুর্নীতির অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

সাম্প্রতিক তথ্যানুসারে বেতন ও বাজারদরের অসামঞ্জস্য যেমন নিম্ন গ্রেডের পুলিশ বাহিনীর সিংহভাগ সদস্য (কনস্টেবল থেকে এএসআই) নিম্ন গ্রেডে বেতন পান।বর্তমান বাজারদরের তুলনায় এই বেতন দিয়ে ঢাকা বা বড় শহরগুলোতে পরিবার নিয়ে সম্মানজনকভাবে বেঁচে থাকা প্রায় অসম্ভব।

এক্ষেত্রেও আর্থিক চাপে আবাসন সংকট ও যাতায়াত খরচের জন্য বেতনের একটি বড় অংশ চলে যায়, যা অনেককে দুর্নীতির পথে ধাবিত করে। এবং রেশন ও চিকিৎসা সুবিধার সীমাবদ্ধতা পুলিশ সদস্যদের জন্য যে রেশন বরাদ্দ থাকে, তা প্রায়ই পরিবারের চার-পাঁচজন সদস্যের জন্য পর্যাপ্ত হয় না।এবং গুরুতর অসুস্থতার ক্ষেত্রে পুলিশ হাসপাতালের বাইরে চিকিৎসা নিতে হলে বড় অংকের অর্থের প্রয়োজন হয়, যা মেটানোর কোনো স্থায়ী সরকারি তহবিল নেই।

একজন পুলিশ সদস্যকে অতিরিক্ত ডিউটি ঝুঁকি গড়ে ১২ থেকে ১৬ ঘণ্টা ডিউটি করতে হয়, কিন্তু এর জন্য কোনো অতিরিক্ত কর্মঘণ্টা ভাতা (Overtime) নেই। এবং তাদের কাজের যে ঝুঁকি, সেই তুলনায় ‘ঝুঁকি ভাতা’ অত্যন্ত নগণ্য।

তথ্যানুসারে সংস্কার কমিশনের প্রস্তাব (২০২৫-২০২৬) বর্তমান পুলিশ সংস্কার কমিশন দুর্নীতির এই ‘মূল কারণ’ দূর করতে কিছু বৈপ্লবিক প্রস্তাবনা নিয়ে কাজ করছে যেমন পুলিশ সদস্যদের জন্য পৃথক এবং সম্মানজনক একটি বেতন স্কেল প্রবর্তনের প্রস্তাব করা হয়েছে।এবং পরিবারের সকল সদস্যের জন্য পূর্ণাঙ্গ রেশন সুবিধা এবং শতভাগ আবাসন নিশ্চিত করার পরিকল্পনা রয়েছে। এবং দায়িত্বের ধরণ অনুযায়ী ঝুঁকি ভাতা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধির সুপারিশ করা হয়েছে।

সূত্রে জানা যায়, উন্নয়নমূলক উদ্যোগে বর্তমান সরকার এবং পুলিশ প্রশাসন এই সমস্যাগুলো সমাধানে কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে যেমন আবাসন সংকট কাটাতে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে ১৫ তলা বিশিষ্ট আবাসিক ভবন এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জন্য গুলশানে পৃথক ভবন নির্মাণের কাজ চলছে। সেই সাথে পুলিশ সদস্যদের জন্য ৩৬৪টি নতুন পিকআপ এবং ১৪০টি প্রিজন ভ্যান কেনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ভাড়া বাসা থেকে স্থায়ী ভবনে স্থানান্তর সহ বর্তমানে ভাড়াকৃত ভবনে পরিচালিত ৬৫টি থানার জন্য নিজস্ব জমি অধিগ্রহণের তহবিল বরাদ্দ সহ সাব-ইন্সপেক্টর (SI) এবং অ্যাসিস্ট্যান্ট সাব-ইন্সপেক্টরদের (ASI) জন্য সুদমুক্ত মোটরসাইকেল ঋণের বিষয়টি বিবেচনাধীন রয়েছে।

এদিকে মামলা সংক্রান্ত যেমন আসামী বা অপহরণ উদ্ধারকারীর যাতাযাত বা সোর্সদের স্থায়ী অর্থ সরকারের কোন বরাদ্ধের বিষয়ে বাংলাদেশ পুলিশের একটি দীর্ঘদিনের কাঠামোগত সমস্যা। তবে সরকারিভাবে একদম কোনো বরাদ্দ নেই—বিষয়টি তেমন নয়; বরং বরাদ্দ থাকলেও তা অত্যন্ত নগণ্য এবং বর্তমান বাজারদরের তুলনায় অপ্রতুল।

মামলার তদন্ত খরচ এবং সোর্স মানি সংক্রান্ত বর্তমানে পুলিশ সদরদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী বিভিন্ন মামলার জন্য অতিত বরাদ্দ যা বর্তমানে অপ্রতুল যেমন ডাকাতি ও খুনের মামলায় তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিটি মামলার জন্য গড়ে ৬,০০০ টাকা, অপহরণ ও মানবপাচারের মত জটিল মামলার তদন্ত খরচ ধরা হয়েছে মাত্র ৫,০০০ টাকা। অন্যান্য মামলা যেমন দস্যুতা ও অপমৃত্যু মামলায় ৪,০০০ টাকা এবং মাদক বা নারী ও শিশু নির্যাতন মামলায় মাত্র ২,০০০ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়।

এক্ষেত্রে যাতায়াত ভাতা বাবদ ডিউটি স্টেশনের বাইরে তদন্তে গেলে প্রতি কিলোমিটারে মাত্র ১৫ টাকা যাতায়াত ভাড়া এবং দৈনিক যাপন খরচ বাবদ ৮৭৫ টাকা ভাতা দেওয়া হয়, যা বর্তমান সময়ে একেবারেই যথেষ্ট নয়।

ক্লুলেস হত্যা মামলা সহ যে কোন অপরাধীদের অবস্থান শনাক্ত বা অপহৃতদের উদ্ধারে পুলিশের সহযোগী হিসেবে গুরুত্বপূর্ন ভুমিকায় থেকে দ্বায়ীত্ব পালন করেন পুলিশের সোর্স সেই সোর্সদের পেছনে যে বিপুল অর্থ ব্যয় হয়, তার জন্য পুলিশের নিয়মিত বাজেটে কোনো স্থায়ী বা আলাদা বরাদ্দ নেই। ফলে তদন্ত কর্মকর্তাদের নিজস্ব পকেট থেকে বা অন্য উৎস থেকে এই খরচ মেটাতে হয়।

বর্তমান পুলিশি ব্যবস্থার একটি বড় বাস্তবতা। সরকারিভাবে ‘সোর্স মানি’ বা তথ্যদাতার জন্য পর্যাপ্ত ও স্বচ্ছ বরাদ্দ না থাকায় পুলিশ সদস্যরা এবং তাদের সোর্সরা বিভিন্নভাবে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছে হরহামেসা। সোর্সদের অপরাধে জড়িয়ে পড়ার কারণ সুস্পষ্ট সোর্সদের কোনো স্থায়ী বেতন বা ভাতা নেই। পুলিশ যখন তাদের নিজস্ব পকেট থেকে টাকা দিতে পারে না, তখন অনেক সোর্সকে ‘নিজেদের ব্যবস্থা করে নিতে’ মৌন সম্মতি দেওয়া হয়।

সেই সাথে পুলিশের আশকারা পেয়ে সোর্সরা অনেক সময় সাধারণ মানুষকে ভয় দেখিয়ে চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা বা জমি দখলসহ বিভিন্ন অপরাধে লিপ্ত হয়। এবং গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের নামে অনেক সোর্স নিজেরাই মাদক কেনাবেচার সাথে জড়িয়ে পড়ে, যা অনেক সময় পুলিশের যোগসাজশেই ঘটে।

একজন পুলিশের ওপর ব্যক্তিগত খরচের প্রভাব সম্পর্কে জানাযায় একজন তদন্ত কর্মকর্তাকে (IO) আসামির অবস্থান জানতে বা মাদক উদ্ধারে সোর্সদের টাকা দিতে হয়। সরকারি বরাদ্দ না থাকায় তারা এই টাকা মেটাতে গিয়ে ঘুষ বা দুর্নীতির আশ্রয় নিতে বাধ্য হন। সেক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্লুলেস মামলার সোর্সদের পেছনে হাজার হাজার টাকা খরচ হতে পারে, অথচ সরকারি বরাদ্দ মাত্র কয়েকশ বা কয়েক হাজার টাকা, যা প্রায়ই সময়মতো পাওয়া যায় না।

তথ্যসূত্রে জানা গেছে, এবিষয়ে বর্তমান সংস্কার ও প্রস্তাবনা (২০২৬) পুলিশ সংস্কার কমিশন এই চক্রটি ভাঙার জন্য কিছু সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব দিয়েছে যেমন মামলার তদন্ত ও সোর্সদের জন্য সরাসরি কর্মকর্তাদের হাতে পর্যাপ্ত এবং স্বচ্ছ ‘গোপন ব্যয়’ (Secret Service Fund) বরাদ্দের সুপারিশ করা হয়েছে। এবং সোর্সদের একটি নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ার আওতায় এনে তাদের কর্মকাণ্ডের ওপর নজরদারি বাড়ানো এবং তাদের জন্য ঝুঁকি ভাতার ব্যবস্থা করার কথা ভেবে সোর্স রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে অর্ন্তরভুক্তির কথা ভাবা হচ্ছে।

সেক্ষেত্রে ভুক্তভোগীদের ওপর যাতে আর্থিক চাপ না পড়ে, সেজন্য তদন্ত খরচ সরাসরি সরকারিভাবে পরিশোধের পদ্ধতি চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। সেই সাথে সোর্সদের প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি ও আর্থিক নিরাপত্তা না থাকায় তারা পুলিশের জন্য ‘সহায়ক’ হওয়ার বদলে অনেক সময় ‘বোঝা’ বা ‘অপরাধী’ হয়ে না দাঁড়ায় সে বিষয়ে গুরুত্বের সাথে তদারকি থাকবে বলে জানা গেছে।

বর্তমান সরকার সংস্কারের উদ্যোগ (২০২৬)এ পুলিশ সংস্কার কমিশন মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের কাজের গতি বাড়াতে অপারেশনাল খরচের জন্য পর্যাপ্ত বাজেট বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে।২০২৫-২৬ বাজেটে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের জন্য আসন্ন অর্থবছরে ২৭,০০১ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে, যার লক্ষ্য হলো পুলিশসহ অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনীর লজিস্টিক সংকট দূর করা।

এদিকে একাধিক সূত্রে অভিযোগ পাওয়া গেছে, সরকারি হাসপাতাল থেকে হত্যা মামলাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মামলার মেডিকেল রিপোর্ট (ইনজুরি বা ময়নাতদন্ত) সংগ্রহে পুলিশ ও ভুক্তভোগীদের বিড়ম্বনা একটি বাস্তব সমস্যা। ময়নাতদন্ত (Autopsy) বা ফরেনসিক রিপোর্ট পেতে মাসের পর মাস সময় লেগে যায়। অনেক ক্ষেত্রে প্যাথলজিক্যাল বা ভিসেরা রিপোর্টের জন্য ল্যাবরেটরিতে দীর্ঘ জট থাকে, যা মামলার চার্জশিট দাখিলে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়।

অনেক সময় স্থানীয় রাজনৈতিক চাপ বা অন্য কোনো প্রভাবের কারণে ইনজুরি রিপোর্টে আঘাতের প্রকৃত ধরণ গোপন বা পরিবর্তন করার অভিযোগ ওঠে। উদাহরণস্বরূপ, আবু সাঈদ হত্যা মামলায় ডাক্তারকে রিপোর্টের তথ্য পরিবর্তনের জন্য চাপের ঘটনা সামনে এসেছে।

এক্ষেত্রে পুলিশ কর্মকর্তা (IO) এবং ডাক্তারদের মধ্যে সমন্বয়ের অভাবে অনেক সময় ‘সুরতহাল রিপোর্ট’ ও ‘মেডিকেল রিপোর্ট’-এর তথ্যে অমিল থাকে, যা আদালতে মামলার মেরিট কমিয়ে দেয়। আর জেলা হাসপাতালগুলোতে দক্ষ ফরেনসিক বিশেষজ্ঞের অভাব থাকায় অনেক সময় লাশ বা ভুক্তভোগীকে বিভাগীয় শহরে পাঠাতে হয়, যা পরিবারের জন্য বাড়তি খরচ ও মানসিক কষ্টের কারণ হয়।

তথ্যসূত্রে জানাগেছে বর্তমান সরকার সংস্কার ও আইনি পদক্ষেপ (২০২৫-২৬) সরকার ও পুলিশ সংস্কার কমিশন এই হয়রানি কমাতে কিছু সুপারিশ ও ডিজিটালাইজেশন সহ কিছু উদ্যোগ নিয়েছে যেমন, মেডিকেল রিপোর্ট সরাসরি অনলাইনে পুলিশের সার্ভারে পাঠানোর ব্যবস্থা করার পরিকল্পনা রয়েছে যাতে মাঝপথে রিপোর্ট পরিবর্তনের সুযোগ না থাকে। এবং জটিল ও বিতর্কিত মামলার ক্ষেত্রে একক ডাক্তারের পরিবর্তে ‘মেডিকেল বোর্ড’ গঠন করে দ্রুত রিপোর্ট দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সরকার ২০২৬ সালের মধ্যে একটি ‘স্বাধীন পুলিশ কমিশন’ গঠনের প্রক্রিয়া চলছে, যা স্বাস্থ্য ও বিচার বিভাগের সাথে সমন্বয় করে তদন্ত প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ বন্ধে কাজ করবে।

আইনি কড়াকড়ি ভাবে সে ক্ষেত্রে ভুল রিপোর্ট দেওয়া বা তথ্য গোপনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আইনি নজির তৈরি হচ্ছে।

এবিষয়ে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন বাংলাদেশ পুলিশ রাষ্ট্রের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন প্রতিষ্টান তাদেরকে জনবান্ধব করতে সকল বিষয়গুলো গুরুত্বের সাথে অতি দ্রুত বাস্তবায়ন জরুরী।

 

Ads