কুষ্টিয়া হামলা, মারধর ও লুটপাটের অভিযোগ: থানায় লিখিত এজাহার

মিরাজুল ইসলাম, ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি কুষ্টিয়া ঃ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ১১:৩১ অপরাহ্ণ
কুষ্টিয়া হামলা, মারধর ও লুটপাটের অভিযোগ: থানায় লিখিত এজাহার

কুষ্টিয়ার ইবি থানাধীন এলাকায় পূর্ব বিরোধের জেরে এক ব্যক্তির ওপর হামলা, মারধর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী থানায় লিখিত এজাহার দায়ের করেছেন।

এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী মো. লাল চাঁদ মিয়া ঝাউদিয়া ইউনিয়ন বিএনপি’র স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক পদে দায়িত্ব পালন করে আসছে। ঝাউদিয়া ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের আলিনগর বাজারের ব্যবসায়িক ও তার সমর্থকদের কাছ থেকে চাঁদা দাবি করে আসছে একই এলাকার মৃত বাদশা মন্ডলের ছেলে ইউসুফ ও মাসুদ, মৃত কোবাদ বিশ্বাসের ছেলে সাইফুল, তাইজাল মন্ডলের ছেলে জনি, শহিদুল ইসলামের ছেলে ইশারত হোসেন, আমিরুল ওরফে মেরু মন্ডলের ছেলে ছুকাম মন্ডল, মৃত আব্দুল আজিজের ছেলে ইসমাইল হোসেন, মৃত আমজাদ মন্ডলের ছেলে লাল্টু, সোহরাব মোল্লার ছেলে ইমনসহ আরো ৫/৬ জন।

ব্যবসায়ীরা চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে তাদের দোকান-পাট বন্ধ ও বাড়ি-ঘর ভাঙচুর করেন। এইসব বিষয়ে লাল চাঁদ জিজ্ঞেস করতে গেলে, গত ২৮ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ সকাল আনুমানিক ১১টার দিকে ভুক্তভোগী নিজ বাড়ি থেকে বের হলে পূর্বপরিকল্পিতভাবে কয়েকজন ব্যক্তি তার পথরোধ করেন। এ সময় অভিযুক্তরা দেশীয় অস্ত্র, লোহার রড, হকিস্টিক, হাতুড়ি ও কাঠের বাটাম দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

ভুক্তভোগীর দাবি, হামলার সময় তাকে হত্যার হুমকিও দেওয়া হয় এবং একপর্যায়ে তিনি গুরুতর আহত হয়ে মাটিতে পড়ে যান। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করেন।

অভিযোগে আরও বলা হয়, হামলার সময় ভুক্তভোগীর কাছে থাকা নগদ প্রায় ১৪ হাজার ৫০০ টাকা, ব্যক্তিগত মালামাল ও অন্যান্য জিনিসপত্র নিয়ে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

ভুক্তভোগী অভিযোগ করেন, অভিযুক্তরা এখনো বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। এতে তিনি ও তার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

একটি সূত্রে জানা যায়, সপ্তাহ আগে এই ইউসুফ গংরা ঝাউদিয়া ইউনিয়নের আলীনগর গ্রামের এক ব্যক্তিকে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে একই ভাবে মারধর করেন। পরে দুইদিন আগে স্থানীয় মন্ডল-মাতব্বরা বসে মিমাংসা করেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এই বিষয়ে ইবি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুঠোফোন ফোন করলে তাকে পাওয়া যায়নি।

Ads