৭ নভেম্বরেই বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের ভিত্তি স্থাপিত: হুইপ দুলু

মোল্লা মো: আরিফুল ইসলাম, নাটোর প্রতিনিধি ঃ
প্রকাশিত: শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬, ৬:২৪ অপরাহ্ণ
৭ নভেম্বরেই বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের ভিত্তি স্থাপিত: হুইপ দুলু

জাতীয় সংসদের হুইপ ও নাটোর-২ (সদর-নলডাঙ্গা) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বলেছেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের মূল ভিত্তি স্থাপিত হয়েছিল।

শনিবার (৭ নভেম্বর) বেলা ১১টার দিকে নাটোর জেলা পরিষদ ও সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের পরিবার, যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং অন্যান্য বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানে এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

হুইপ দুলু বলেন, বাংলাদেশের অগ্রযাত্রার পথে বারবার বাধা এসেছে। দেশের জন্য জেনারেল এম এ জি ওসমানী, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, মওলানা ভাসানী ও শেখ মুজিবুর রহমানের অবদান এ দেশের মানুষ কখনো অস্বীকার করতে পারবে না।

তিনি আরও বলেন, দেশের প্রকৃত ইতিহাস তুলে ধরতে হবে। বারবার ইতিহাস বিকৃত করে জিয়াউর রহমানকে ছোট করা হয়েছে, যার মাধ্যমে জাতি হিসেবেও বাংলাদেশকে ছোট করা হয়েছে। এখন আর পেছনে তাকানোর সুযোগ নেই। প্রতিহিংসা ও আক্রমণের রাজনীতি পরিহার করে দেশের সার্বভৌমত্ব, গণতন্ত্র ও অর্থনৈতিক মুক্তি নিশ্চিত করার মাধ্যমে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে হবে।

নাটোরের জেলা প্রশাসক মোছা. সুমনী আক্তারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সিভিল সার্জন ডা. মুহাম্মদ মশিউর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. ইফতে খায়ের আলম এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ ফরিদ।

এর আগে সকালে নাটোর শহরের আলাইপুরে জেলা বিএনপির কার্যালয়ের সামনে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন এবং শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে দিবসের কর্মসূচি শুরু হয়। পরে সকাল ১০টার দিকে দলীয় কার্যালয় থেকে একটি শোভাযাত্রা বের করেন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।
শোভাযাত্রা শেষে জেলা পরিষদ মিলনায়তনে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক রহিম নেওয়াজের সভাপতিত্বে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন হুইপ অ্যাডভোকেট এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু।

এ ছাড়া দিবসটি উপলক্ষে জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনায় বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে বিশেষ মোনাজাত ও প্রার্থনার আয়োজন করা হয়। সরকারি হাসপাতাল, কারাগার ও শিশু সদনগুলোতে পরিবেশন করা হয় উন্নতমানের খাবার।

Ads