‘বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশনে, কমিশনার নিয়োগ পেয়েছেন নাবিলা ইদ্রিস

আমিনুল আমিন ঃ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৪:১৭ অপরাহ্ণ
‘বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশনে, কমিশনার নিয়োগ পেয়েছেন নাবিলা ইদ্রিস

ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে গুমের শিকার ব্যক্তিদের সন্ধানে যিনি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন এবং গুম কমিশনের সদস্য হিসেবে দায়িত্বরত আছেন। গুম কমিশনের সদস্য দ্বায়িত্বে থাকা অবস্থায় নাবিলা ইদ্রিসকে বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশনে কমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

সম্প্রতি ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ৬-এর উপধারা (১) অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি বাছাই কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী উল্লেখিত ব্যক্তির নিয়োগ প্রদান করে।

নাবিলা ইদ্রিসের জীবন কাহিনী ঃ
নাবিলা ইদ্রিস কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন। এর আগে তিনি ইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ২০১৪ সালে সামাজিক নীতিতে ডিস্টিংশন সহ স্নাতকোত্তর এবং ২০১৫ সালে বেইজিংয়ের কমিউনিকেশন ইউনিভার্সিটি অফ চায়না থেকে আন্তর্জাতিক সাংবাদিকতা ও যোগাযোগে আরেকটি স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন, যেখানে তিনি তার ক্লাসের শীর্ষে স্নাতক হন।

কর্মজীবনে নাবিলা ইদ্রিস ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন কোম্পানি লিমিটেডে বোর্ড ডিরেক্টর হিসেবে যোগদান করেন, যেখানে তিনি এপিএসসিএল বোর্ড প্রকিউরমেন্ট রিভিউ কমিটির সদস্যও।

তিনি বাংলাদেশে জোরপূর্বক অন্তর্ধান সংক্রান্ত তদন্ত কমিশনের সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।

তিনি বর্তমানে যুক্তরাজ্যের উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিজিটিং ফেলো হিসেবে কর্মরত, যেখানে তিনি গ্লোবাল স্যোশ্যাল প্রটেকশন ফান্ড নিয়ে গবেষণা করছেন। তিনি বাংলাদেশের ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অফ গভর্নেন্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টে খণ্ডকালীন গবেষণা ফেলো হিসেবেও কাজ করছেন।

তিনি ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশেও শিক্ষকতা করেছেন।

পূর্বে তিনি ডিউক বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেমোক্রেটিক অ্যাকাউন্টেবিলিটি অ্যান্ড সিটিজেন-পলিটিশিয়ান লিঙ্কেজ প্রকল্পে কান্ট্রি অ্যাঙ্কর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন, আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার এশিয়া অঞ্চলের বার্ধক্য ও পেনশন বিষয়ক গবেষণায় অবদান রেখেছেন।

২০২৫ সালে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের আইভিএলপি প্রোগ্রামের প্রাক্তন ফেলো হিসেবে তিনি বাংলাদেশ, থাইল্যান্ড, চীন এবং যুক্তরাজ্যে কাজ করেছেন। পূর্ববর্তী শত শত অংশগ্রহণকারী পরে রাষ্ট্রপ্রধান হয়েছিলেন।তিনি ঢাকায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত যুব পরিষদেও কাজ করেছেন।

ইউরোপ, এশিয়া ও উত্তর আমেরিকার বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সম্মেলনে তাঁর গবেষণা উপস্থাপন করেছেন। তার অর্জনের মধ্যে রয়েছে খাজানা গ্লোবাল এশিয়া স্কলারশিপ ও ক্যামব্রিজ ট্রাস্ট স্কলারশিপ।

তিনি আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার এশিয়া অঞ্চলের বার্ধক্য ও পেনশন বিষয়ক গবেষণায় অবদান রেখেছেন এবং সেভ দ্য চিলড্রেনে গবেষণা, নীতি ও কার্যক্রম বিভাগে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি অ্যাকশনিয়ার্স অফ কমিউনিটি অ্যাকশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি।

নাবিলা ইদ্রিসের পিতা প্রয়াত অধ্যাপক ইদ্রিস ছিলেন একজন পিজি হাসপাতালের অর্থোপেডিক্স স্পাইন সার্জারীর ।

Ads