ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা – ৮ আসনে যার সম্ভাবনা বেশী

আমিনুল আমিন ঃ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৫:৪৩ অপরাহ্ণ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা – ৮ আসনে যার সম্ভাবনা বেশী

ঢাকা-৮ নির্বাচনী আসনে ২০২৬ সালের জানুয়ারির হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী মোট ভোটার সংখ্যা ২,৭৫,৪৭১ জন। পুরুষ ভোটার: ১,৫২,৭৯৫ জন, নারী ভোটার: ১,২২,৬৭৫ জন, হিজড়া (তৃতীয় লিঙ্গ) ভোটার: ১ জন।

আসন সীমানায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ৮, ৯, ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৯, ২০ ও ২১ নম্বর ওয়ার্ড এই আসনের অন্তর্ভুক্ত। এলাকাগুলোর মধ্যে রয়েছে মতিঝিল, শাহবাগ, রমনা, পল্টন ও শাহজাহানপুর থানা।

উল্লেখ্য যে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে বাংলাদেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এ আসনে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা মূলত দ্বিমুখী হওয়ার সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে। এই আসনে হেভিওয়েট প্রার্থীর উপস্থিতিতে লড়াই বেশ হাড্ডাহাড্ডি হবে।

প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হলেন মির্জা আব্বাস (বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল – বিএনপি) যার প্রতীক ”ধানের শীষ”।

যে সম্ভাবনায় তিনি এই আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এবং বিএনপির অন্যতম প্রভাবশালী নেতা। মতিঝিল ও রমনা এলাকায় তার দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক প্রভাব এবং নিজস্ব বড় ভোটব্যাংক রয়েছে। বিএনপির সাংগঠনিক শক্তি ও তার অভিজ্ঞতার কারণে তাকে এই আসনের অন্যতম ফেভারিট মনে করা হচ্ছে।

দ্বিতীয় প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)র নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী যার প্রতীক ”শাপলা কলি”।

যে সম্ভাবনায় তিনি ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে তরুণ ও সাধারণ ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক পরিচিতি পেয়েছেন। এনসিপি তথা ১১-দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে তিনি পরিবর্তনের ডাক দিচ্ছেন। তরুণ প্রজন্মের ভোটারদের বড় সমর্থন এবং জামায়াতে ইসলামীর মতো শক্তিশালী জোটের ভোট তার পক্ষে আসার প্রবল সম্ভাবনা আছে, যা ফলাফলে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।

তৃতীয় প্রতিদ্বন্দ্বী মেঘনা আলম (গণঅধিকার পরিষদ) যার প্রতীক ”ট্রাক”।

এদিকে নুরুল হক নুর নেতৃত্বাধীন গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী হিসেবে তিনিও নির্বাচনী মাঠে সক্রিয়। বিশেষ করে সুশীল সমাজ ও শিক্ষিত মধ্যবিত্ত ভোটারদের ভোট পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে তার।

নির্বাচনী সম্ভাবনা ও বিশ্লেষণ ও লড়াইয়ের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে বিশ্লেষকদের মতে, লড়াইটি মূলত অভিজ্ঞতা (মির্জা আব্বাস) বনাম নতুন ধারা (নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী)-এর মধ্যে শেষ পর্যন্ত প্রতীক নয়, বরং প্রার্থীর সততা ও অতীত কর্মকাণ্ডই জয়ের ক্ষেত্রে মূল ভূমিকা রাখবে বলে স্থানীয় বিশ্লেষকরা মনে করছেন।।

 

 

Ads