তানোর পল্লী বিদ্যুতের সংযোগ দেয়ার নামে টাকা আদায়

আব্দুস সবুর, তানোর প্রতিনিধি (রাজশাহী) ঃ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২৬, ৩:৩৯ অপরাহ্ণ
তানোর পল্লী বিদ্যুতের সংযোগ দেয়ার নামে টাকা আদায়

রাজশাহীর তানোরে বাড়িতে পল্লী বিদ্যুতের সংযোগ দেয়ার নামে বাড়তি টাকা আদায় করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। কামারগাঁ ইউনিয়ন ইউপির সেচ্ছাসেবক দলের নেতা মাদারীপুর গ্রামের বাসিন্দা লিটন এসব টাকা আদায় করছেন বলেও সুত্র নিশ্চিত করেন। লিটন তানোর পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের ইলেক্ট্রিশায়ান হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন।

কিন্তু নানা অনিয়ম দূর্নীতি কারনে তাকে দীর্ঘ দিন বরখাস্ত করে রাখে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষরা। কিন্তু নতুন ভাবে ডিজিএম হিসেবে রেজাউল করিম খান আসার পর অনৈতিক সুবিধা নিয়ে লিটন কে কাজ করার সুযোগ করে দিয়েছে। সেই সুযোগ কে কাজে লাগিয়ে লিটন আগের নিয়মে শুরু করেছেন দূর্নীতি বলে অহরহ অভিযোগ আছে।

জানা গেছে, উপজেলার কামারগাঁ ইউনিয়ন ইউপির সঞ্জয় কুমার দীর্ঘ দিন ধরে নিজ বাড়িতে বিদ্যুৎ সংযোগ নেয়ার জন্য লিটনকে তাগাদা দেয়। কিন্তু লিটন নানা তাল বাহানা করে সংযোগ দিচ্ছিল না। এক পর্যায়ে লিটন মোটা টাকার দাবি করেন।

টাকা দিলে সংযোগ হবে না দিলে হবে না। অবশেষে সংযোগ নিতে ১৪ হাজার ১০ টাকা দিতে হয়েছে। কিন্তু বাড়িতে সংযোগ নিতে এত পরিমান টাকা লাগেনা। বাধ্য হয়ে টাকা দেন। টাকা দেয়ার রশিদ পাওয়া গেছে।

তিনটি ফর্মেটে টাকা আদায় করা হয়েছে। ডনেশান কিন্ডস বাবদ ১৩ হাজার টাকা, সদস্য ফি ৫০ টাকা, গ্রাহক জামানত ৯৬০ টাকা, মোট ১৪ হাজার ১০ টাকা।
বিদ্যুৎ সংশ্লিষ্ট এক ব্যক্তি জানান, আমি দীর্ঘ দিন ধরে কাজ করছি। কিন্তু এমন চার্জের বিষয়ে শুনিনি। তবে নতুন নিয়ম হতে পারে।

গ্রাহক সঞ্চয় কুমার জানান, টাকা ছাড়া লাইন দিবেনা। এটা নাকি অফিসের নিয়ম।

ইলেক্ট্রিশিয়ান লিটন জানান, আমি কোন টাকা আদায় করিনি। নতুন ভাবে লাইনের কাজের জন্য অফিস টাকা নিয়েছে।

ডিজিএম রেজাউল করিম খান জানান, আন্ডারগ্রাউন্ড লাইন বা একজন বিদ্যুতের খুটি থেকে আরেক বিদ্যুৎ খুটির লাইনের জন্য এচার্জ লাগে।

Ads