মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে অর্থনীতিতে রক্তক্ষরণ হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক ঃ
প্রকাশিত: রবিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:১৩ অপরাহ্ণ
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে অর্থনীতিতে রক্তক্ষরণ হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী

স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণের যোগ্যতা অর্জন করলেও উত্তরণ পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এখনো প্রস্তুত নয় বাংলাদেশ। সেইসঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে জ্বালানির দামবৃদ্ধিসহ নানা কারণে অর্থনীতির রক্তক্ষরণ হচ্ছে। এমন অবস্থায় এলডিসি উত্তরণ সম্ভব নয়। রোববার রাজধানীর শেরে বাংলা নগরে এনইসি সম্মেলন কক্ষে অংশীজনদের সঙ্গে এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি নিয়ে মতবিনিময়ে এসব কথা বলেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

এসময় তিনি জানান, গত কয়েকবছরে দেশে দারিদ্র্য বেড়ে গেছে অনেকটা। সেটা মোকাবিলা করা জরুরি। সকল উন্নয়ন সহযোগীদের দেশের বেসরকারি খাত অর্থায়ন বাড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।

এলডিসি উত্তরণের সক্ষমতা বাড়াতে হবে, যা বিএনপি নির্বাচনী ইশতেহারে তুলে ধরেছে। বেসরকারি খাতের জন্য নীতি কাঠামো সহজীকরণ করা হবে। তার আগে এলডিসি উত্তরণ হলে পরিস্থিতি খারাপ থেকে আরও খারাপ হবে। সংস্কার, ডিরেগুলেশন সময়মতই হবে।
সভায় বক্তারা বলেন, বর্তমান সরকার অর্থনীতির যে খারাপ অবস্থা পেয়েছে সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে। দেশি-বিদেশি দায়দেনা পরিস্থিতি অর্থনীতিকে খুব ভোগাবে। মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের ফলে জ্বালানির দাম অনেক দেশ বাড়িয়েছে। নির্বাচিত সরকার হিসেবে এ দেশে বাড়ানো হয়নি। তবে, তা বেশিদিন রাখা না গেলে জনগণের ওপর চাপ বাড়বে, জিনিসপত্রের দামও বেড়ে যাবে।

তারা বলেন, সরকার ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির রোডম্যাপ নিয়ে নীতিকাঠামো সাজাচ্ছে।সভায় জাতিসংঘের প্রতিনিধি বলেন, বাংলাদেশের রপ্তানির বড় অংশ বিশেষ শুল্কসুবিধা পায়। এলডিসি উত্তরণের ফলে ওষুধ শিল্পেও নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। বর্তমানে বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ নানা রকম অস্থিরতা চলমান। যা বাংলাদেশের এলডিসি পরবর্তী পরিস্থিতি আরও চাপ তৈরি করতে পারে।

Ads